২০২৯ সালে মেয়েদের ইউরো আয়োজন করবে জার্মানি। ইতালি, পর্তুগাল, পোল্যান্ড এবং ডেনমার্ক ও সুইডেনকে পেছনে ফেলে আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে দেশটি।
সুইজারল্যান্ডের নিয়নে এক অনুষ্ঠানে উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন আয়োজক হিসেবে জার্মানির নাম ঘোষণা করেন। উপস্থিত ছিলেন জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের (ডিএফবি) সভাপতি বার্ন্ড নিউইনডর্ফ। তিনি বলেছেন ‘এটি একটি দীর্ঘ যাত্রা ছিল। কেবল আমাদের দাঁড়িয়ে থাকার জন্য নয়, বরং এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করার জন্য ডিএফবি অনেক কাজ করেছে। আমাদের দল এবং অন্যান্য জায়গায় যারা আমাদের সমর্থন করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ।’
‘আমি এখানে উপস্থিত সকলকে, পোল্যান্ড এবং ডেনমার্ক ও সুইডেনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা আপনাদের সকলকে জার্মানিতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এটি কেবল জার্মানির জন্য নয়, ইউরোপের সকলের জন্য একটি টুর্নামেন্ট। আপনাদের সকলকে স্বাগত। আমরা আপনাদের সকলকে দেখতে চাই।’
২০২৪ সালে ছেলেদের ইউরো আয়োজন করেছিল জার্মানি। ২০১১ মেয়েদের বিশ্বকাপের পর মেয়েদের কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চলছে দেশটি। সবশেষ ২০০১ সাল মেয়েদের ইউরো আয়োজন করেছিল দেশটি। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জার্মানি।
আটটি শহরে গড়াবে ম্যাচগুলো। যার মধ্যে আছে মিউনিখ, ফ্রাঙ্কফুর্ট, কোলন, ডুসেলডর্ফ, ডর্টমুন্ড, হ্যানোভার, উলফসবার্গ এবং লেইপজিগ। ডিএফবির পরিকল্পনা অনুসারে, টুর্নামেন্টটি ইউরোপের প্রতিটি অঙ্গনে মহিলা ফুটবলকে প্রচার করবে এবং কোনও দেশ বাদ পড়বে না।
ডিএফবির সহ-সভাপতি হাইক উলরিচ বলেছেন, ‘এটি খুবই উন্মুক্ত একটি টুর্নামেন্ট হবে। বিশ্বের কাছে মেয়েদের ফুটবলকে নতুন স্তরে নিয়ে যাবে।’
জার্মান গণমাধ্যমের মতে, ২০২৯ সালের টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য জার্মানিকে বেছে নেয়ার পেছনে ডিএফবির উয়েফার কাছে একটি প্রতিশ্রুতি আছে। সেটি হল বড় পড়িসরে লাভজনক করে তুলবে এ টুর্নামেন্টটি। তারা আশা করছে, দশ লক্ষেরও বেশি টিকিট বিক্রি করতে পারবে। সুইজারল্যান্ডে ২০২৫ সালের মেয়েদের ইউরোতে উয়েফা আনুমানিক ৩৫ ইউরো মিলিয়ন লোকসান করেছে। অন্যদিকে জার্মানিতে ২০২৪ সালের পুরুষদের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ১.৩ বিলিয়ন ইউরো লাভ করেছে উয়েফা।









