গত মে থেকে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেইডেন সিলেস। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে-টেস্ট সিরিজের পর পাকিস্তানের বিপক্ষেও আলো ছড়াচ্ছেন এ পেসার। দুই ফরম্যাট মিলিয়ে শেষ ৯ ম্যাচে ১৯ উইকেট শিকার করা সিলেস পাকিস্তানের বিপক্ষে তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। উইন্ডিজ জিতে সিরিজে সমতায় ফিরেছে। ২৩ বর্ষী তরুণের দারুণ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ অধিনায়ক শাই হোপ। ক্ল্যাসি বোলার আখ্যা দিচ্ছেন সিলেসকে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দ্বিতীয়টিতে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটের জয়ে সমতায় ফিরেছে উইন্ডিজ। ২০১৯ সালের পর প্রথম পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতল ক্যারিবীয় দল। আগে টি-টুয়েন্টি সিরিজে ৮ বছরের জয়খরা কাটিয়েছে তারা।
ম্যাচের পর ৩১ বর্ষী হোপ বলেছেন, ‘আমরা সবসময় জুটি নিয়ে কথা বলি। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই উন্নতি করতে চাই। এই জয়ে খুশি। সিলেস একজন ক্ল্যাসি বোলার, সব ফরম্যাটেই দক্ষতা দেখিয়েছে। টেস্ট থেকে ফর্ম টেনে এনেছে ওয়ানডেতে। আমরা যেমন একটা শুরু চেয়েছিলাম তা দিয়েছে। ব্যাটে নেমে ছেলেদের মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। চেজ এবং গ্রিভসকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। শেরফানও আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত ৩৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৭ উইকেটে ১৭১ রান তোলে পাকিস্তান। বৃষ্টি হানা দেয় স্বাগতিক ইনিংসেও, ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আরও দুই ওভার, লক্ষ্য বেড়ে দাঁড়ায় ১৮১। ১০ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১২ আগস্ট তৃতীয় ম্যাচ পরিণত হয়েছে অঘোষিত ফাইনালে।
রানতাড়ায় টপঅর্ডারের তিন ব্যাটার পঞ্চাশের আগেই হারিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আবরার আহমেদের দারুণ এক গুগলিতে বোল্ড হওয়া ক্যাসি কার্টি ৪২ বলে করেন ১৬ রান। টপঅর্ডার বিপর্যয় হলেও মিডলঅর্ডার দাঁড়িয়ে যায়। শাই হোপ ৩২ রান করে স্টাম্পিং হলে দুটি ভালো ইনিংস খেলেন শেরফান রাদারফোর্ড ও রোস্টন চেজ।
৩৩ বলে রাদারফোর্ড ৪৫ রান করে নাওয়াজের শিকার হলে চেজ ও জাস্টিন গ্রিভসের ব্যাটে ম্যাচ শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চেজ শেষপর্যন্ত ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন, গ্রিভস অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে। পাকিস্তানের হয়ে হাসান আলী ও নেওয়াজ নেন ২টি করে উইকেট। এক উইকেট পান আবরার আহমেদ।
পাকিস্তান ১৭১ রান করে হাসান নাওয়াজের ৩৬, হুসাইন তালাতের ৩১ ও সাইম আয়ুবের ২৩ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেইডেন সিলেস নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন জেদিয়া ব্লেডস, শামার জোসেফ, গুডাকেশ মোতি ও রোস্টন চেজ।









