জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার ২০ ঘণ্টা পার হলেও এখনও চলছে গণনা। নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৬৭–৬৮ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম. রাশিদুল আলম জানান, ভোট গণনা শুরু হওয়ায় এবং ফলাফল ঘোষণায় দেরির কয়েকটি কারণ রয়েছে।
তিনি জানান: প্রাথমিকভাবে ওএমআর মেশিন ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকলেও বেশ কয়েকজন প্রার্থীর আবেদন মোতাবেক ভোট ম্যানুয়ালি গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ম্যানুয়ালি গণনা করার কারণে সময় বেড়েছে।
এছাড়া, সকাল ৯টায় ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুটি হলে দেরি হয়েছিল। বিশেষ করে দু’টি বড় হলে, যেখানে এক হাজারের বেশি ভোটার রয়েছেন, দুপুর পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি কম থাকায় ভোট গ্রহণ স্থগিত ছিল। পরে বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার দিকে লাইনে অনেক ভোটার আসেন। নিয়ম অনুযায়ী, সমস্ত ভোটারকে ভোট প্রদানের সুযোগ দিতে ব্যালট বাক্সগুলোর আসা পর্যন্ত গণনা শুরু হয়নি।
পাশাপাশি ম্যানুয়াল গণনার আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি বা অভিজ্ঞতা ছিল না, ফলে শুরুতে গণনার গতি ধীর ছিল বলে জানিয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক এ.কে.এম. রাশিদুল আলম।
তিনি আর জানান: রাতের শুরুতে সিনেট ভবনের পাঁচটি টেবিলে ভোট গণনা করা হতো। সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকলেও সকালে টেবিলের সংখ্যা বাড়িয়ে ১০টি করা হয়েছে, যাতে গণনা স্বচ্ছভাবে দেখা যায়।
এছাড়া, অনেক হলে পোলিং কর্মকর্তা থাকলেও পোলিং এজেন্ট অনুপস্থিত থাকায় ব্যালট খোলা ও গণনা করার জন্য সময় লাগেছে বলে জানান তিনি।
রাশিদুল আলম বলেন, প্রাথমিক দেরি এখন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে এবং গণনা দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। ভোট গণনার পর কেন্দ্রীয় সংসদের ফলাফলও ঘোষণা করা হবে।









