সাবেক সেনাপ্রধান অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা ভিসা নীতির প্রয়োগ নয়। এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টের আওতায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিচ্ছে সেটা ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ মিশনকে অবহিত করা হয়েছিলো এসময় জানান তিনি।
মঙ্গলবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন: দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোন স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি বলে এসময় অভিযোগ করেন তিনি।
ভোটার উপস্থিতি কমের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন: ভোটাররা কেন আসেনি একথা যারা বলে- এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ৭ জানুয়ারি ভোটার উপস্থিতি ৪২ প্লাস। বিএনপি নেতাদের বলব-আপনাদের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিবিসি মন্তব্য করেছিল ৫ শতাংশ, তখন সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন বলেছিল ২১ শতাংশ। তাহলে আপনাদের জাতীয় নির্বাচনে উপস্থিতি ২১ এর তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩০ প্লাস কম কিসে?
অপপ্রচারে ভোটারদের ভোট দানের আগ্রহ নষ্ট করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন: বিএনপি ও তাদের সমমনাদের অবিরাম মিথ্যাচার, এক ধরনের বুদ্ধিজীবীদের অপপ্রচার আছে। টিআইবির অপপ্রচার আছে। আরো কিছু নামিদামি বুদ্ধিজীবী আছে তারা নির্বাচন সম্পর্কে অপপ্রচার মিথ্যাচার করেছেন মানুষের আগ্রহ নষ্ট করতে। ঘুরতে দেখুন ভালো হয়েছে বলবো না। মোটামুটি সন্তোষজনক।
বিএনপির প্রতি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন: বাকশাল একক কর্তৃত্ববাদী কোন দল নয়। এটা জাতির প্রয়োজনে তখনকার বাস্তব অবস্থায় একটি জাতীয় দল। এটা একদলীয় কোন শাসন নয়। জাতীয় এই দলে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল। মির্জা ফখরুল সাহেবরা যতই মিথ্যাচার করুক তথ্য প্রমাণ আছে।
জিয়াউর রহমান বিশেষভাবে বঙ্গবন্ধুর কাছে আবেদন করে বাকশালের সদস্য পদ লাভ করেছিলেন বলে এসময় মন্তব্য করেন তিনি। বলেন: বাকশালের কমিটিতে ৭১ নম্বরে জিয়াউর রহমানের নাম ছিল। মিথ্যাচার করে লাভ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী সহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।









