বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের কাঠামো ও রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে আলোচিত ‘এক ব্যক্তির হাতে তিন পদ’ ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (৭ অক্টোবর) মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে তিনি বলেন, বিএনপি কখনও বলেনি যে একজন ব্যক্তি একসাথে তিনটি পদে থাকতে পারবেন না। বিষয়টি অন্য মহল থেকে উত্থাপিত হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, না, আমরা তো তখনো বলিনি যে এক ব্যক্তি তিন পদে থাকতে পারবে না। এটা অন্যরা কেউ বলেছে। আমরা মনে করি না যে, এটাতে স্বৈরাচারি হওয়ার কোনো কারণ আছে।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতেও বাংলাদেশে একাধিকবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু তখনও কোনো একক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা থাকার কারণে সেটিকে স্বৈরাচার বলা হয়নি।
তিনি বলেন, আমরা তো দেখেছি স্বৈরাচারের সময়ও এবং তার আগেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তাদের টু-থার্ড মেজরিটি ছিল। ২০০৮ সালে তারা সেটি চেঞ্জ করে ফেলে, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা রাখেনি।
তারেক আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির সময়ও সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও দলটি কখনও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পরিবর্তন করেনি। ২০০১ সালে বিএনপিরও টু-থার্ড মেজরিটি ছিল, বিএনপি তো চেঞ্জ করেনি।
তিনি বলেন, যেহেতু জনগণ মনে করে যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, বিএনপি সেই ব্যবস্থা রেখেছিল। এক ব্যক্তির হাতে থাকলেই যে স্বৈরাচার হবে তা নয়। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি টু ব্যক্তি। শুধু আইন চেঞ্জ করলেই সবকিছু সঠিক হয়ে যাবে না।









