তুরস্কের জাতীয় নির্বাচনে শনিবার ছিল শেষবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণার দিন। স্থানীয় সময় রোববার (১৪ মে) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
তুরস্কের এবারের নির্বাচনে তিনজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- একে পার্টির রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সিএইচপি নেতা কামাল কিলিকদারোগলু ও সিনান ওগান।
দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ বর্তমান প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের জন্য এবারের নির্বাচনটিকে ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ গত ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এরদোয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবার দেশটির ছয়টি রাজনৈতিক দল জোট বেঁধেছে। তুরস্কের ইতিহাসে এর আগে কখনো এতগুলো দলকে এক হতে দেখা যায়নি।

জানা যায়, তুরস্কের জাতীয় নির্বাচনে এবার লড়াই হবে ত্রিমুখী। সমানে সমানে লড়াইয়ে আছে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ। তুরস্কের নির্বাচন নিয়ম অনুযায়ী কোন প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পেলে দ্বিতীয় ধাপে ভোট হবে।
দু’দিন আগে সিএইচপির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কিলিকদারোগলু অভিযোগ করেছিলেন রাশিয়া তাদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করছে। এর একদিন পরেই পাল্টা অভিযোগ ছুড়ে তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, বিরোধীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হয়ে কাজ করছেন।
নির্বাচনের আগে শনিবার শেষবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণা চালান এরদোয়ান। রাজধানী ইস্তাম্বুলে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন চালান ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এই প্রেসিডেন্ট। জরিপ মতে, নির্বাচনের একদিন আগে এরদোয়ান প্রধান বিরোধী প্রার্থী কামাল কিলিকদারোগলুকে পেছনে ফেলে এগিয়েছেন।
২০ বছরের মধ্যে এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জে রয়েছেন এরদোয়ান। এর কারণ গত ৬ ফেব্রুয়ারি হওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্প। ওই ভূমিকম্পে শুধু তুরস্কে প্রায় ৫১ হাজার মানুষ মারা গেছে।
আঙ্কারা ইনস্টিটিউটের জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ সরকার সমর্থক দাবি করছেন, ভূমিকম্পের পর সরকারের পদক্ষেপ যথাযথ ছিল। আবার সরকারবিরোধী ৯০ শতাংশ বলছেন, সরকার ব্যর্থ। সব মিলিয়ে এই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।







