ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ভিএআর পদ্ধতির ব্যবহারে আসতে পারে পরিবর্তন। হলুদ কার্ড ও কর্নার পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা হতে পারে প্রক্রিয়াটি। এমন পরিকল্পনা নিতে আহবান জানিয়েছেন প্রিমিয়ার লিগের রেফারি প্রধান হাওয়ার্ড ওয়েব। এখন পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগে পদ্ধতিটি সীমাবদ্ধ আছে মাঠে গোল, ফাউল, লাল কার্ড যাচাই করে দেখার ক্ষেত্রে।
স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ফুটবল পরিচালনার জন্য ভিডিও সহকারি রেফারি (ভিএআর) পদ্ধতি পেশাদার ফুটবলে প্রথম দেখা যায় ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। নেদারল্যান্ডসের ক্লাব আয়াক্স ও উইলিয়ামের ম্যাচে।
আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের সবার শেষে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ গ্রহণ করে পদ্ধতিটি। প্রিমিয়ার লিগে যা প্রথম ব্যবহার হয় ২০১৯ সালে।

২০১৯-২০ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে চালু হওয়া ভিএআর পদ্ধতিকে ইতিমধ্যে যাচই করে দেখছেন ফুটবলের আইন প্রণেতারা ও আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড।
ওয়েব বলছেন, ‘যদি হলুদ কার্ড বলা হয় যা অনেক সময় খেলোয়াড়দের ভুলবশত দেয়া হয়। এতে ম্যাচে বিরূপ প্রভাব পড়ে। আবার যেসব হলুদ কার্ড দেখিয়ে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা হয় না সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
‘আমি এটাও বুঝি যে, ভুলবশত কর্নার কিক পাওয়াটাও একদম অনুচিত। ইংলিশদের ফুটবলে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক হৈচৈ লেগে যায় মাঝেমধ্যে।’

খেলা শেষে রেফারিদের সুরক্ষা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। প্রায়ই রেফারিদের অনলাইন ও অফলাইনে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। মাঠে ও বাইরে শিকার হতে বিরূপ আচরণের।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চে ভিএআর পদ্ধতি প্রথম পরিচিতি পায় ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে। ইউরোপসেরার মঞ্চ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যা প্রথম নিয়ে আসা হয় ২০১৮-১৯ মৌসুমের সেরা ষোলোর লড়াইয়ে।









