মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি চীনের উপর আরোপিত বিশাল শুল্ক কমাতে প্রস্তুত। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, বর্তমান শুল্ক এত বেশি যে বিশ্বের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ একে অপরের সাথে ব্যবসা করা বন্ধ করে দিয়েছে।
সোমবার (৫ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার’ এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি চীনের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আসা বেশিরভাগ পণ্যের উপর সর্বজনীন ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। তবে চীনা আমদানির উপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে। প্রতিশোধ হিসেবে, চীন আমেরিকান আমদানির উপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করেছে।
বেইজিং এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য অচলাবস্থা আর্থিক বাজারকে বিপর্যস্ত করেছে। বিশেষ করে উৎপাদন সরঞ্জামের পাশাপাশি পোশাক এবং খেলনার মতো সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্যের খরচ বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করেছে, যার উপর অনেক মার্কিন নাগরিক নির্ভর করে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, একপর্যায়ে আমি চীনের উপর আরোপিত শুল্ক কমিয়ে দেব। অন্যথায়, আপনি কখনই তাদের সাথে ব্যবসা করতে পারবেন না। অথচ তারা খুব বেশি ব্যবসা করতে চায়।
এসময় ট্রাম্প বলেন, সম্প্রতি বেইজিং থেকে ‘ইতিবাচক’ বক্তব্য এসেছে। এছাড়াও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে চীনের সাথে চূড়ান্ত হওয়া যেকোন চুক্তি ‘ন্যায্য’ হওয়া উচিত।









