লক্ষ্মীপুরে কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় ধীর গতিতে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি।
শুক্রবার ৩০ আগস্ট এখন পর্যন্ত কারো আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপ এবং বৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে অতি ধীর গতিতে বলে জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উদ-জামান।
সরকারি তথ্য মতে, ৭ লাখ ২০ হাজার মানুষ পানি বন্দী বলা হলেও বেসরকারি তথ্য মতে, এ সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি। সরকারি মতে, ২৬৫টি গ্রাম এবং চারটি পৌরসভার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৮০ হাজার। এ পর্যন্ত ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে সরকারি ভাবে নগদ ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৭৮৯ মেট্রিকটন চাল এবং ২৯ হাজার ৬৯৩ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে।
বন্যার কারণে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪ জন। বন্যা স্থায়ী হওয়ার ফলে প্রতিদিনই সাপে কাটা রোগী, নিয়োমনিয়া এবং ডায়ারিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে লক্ষ্মীপুর সফরে আসছেন ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুকী আজম। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন, জেলা ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মো. ইউনুছ।









