দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষী আচরণ চলছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে সরকারের নীতি স্পষ্ট করতে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদ বরাবর খোলা চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের সামনে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে চিঠি উপস্থাপন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক গীতি আর নাসরীন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পরপরই বিভিন্ন গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন জাতি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মতের ওপর হামলা চালিয়েছে। রাস্তা ও পর্যটন কেন্দ্রে নারীদের হেনস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থানে যে সহিংসতা হয়েছে তা চলতে থাকলে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেই প্রশ্ন রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।
কবে নাগাদ প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এই চিঠি পাঠানো হবে জানতে চাইলে অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন বলেন, আমরা চেষ্টা করবো আজকেই পাঠানোর তবে আজ সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ দু-একদিনের মধ্যেই এই চিঠি পাঠানো হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সায়েদ ফেরদৌস বলেন, আমরা সরকারকে সময় না দিয়ে নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিচ্ছি। মালিকপক্ষের গুন্ডারা শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার করছেন। মাজার, মন্দির ও বিভিন্ন শিল্পস্থাপনা ভাঙচুর করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা দেখেছি একটা গোষ্ঠী আমাদের অনেক শিক্ষককে ইসলামবিদ্বেষী বলে ট্যাগ দিচ্ছে। আমাদের যোগ্যতা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলতে পারে কিন্তু ঢালাওভাবে কেনো এসব ট্যাগ দিয়ে শিক্ষকদের হেনস্তা করা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না। সরকার পতনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। সরকার পতনের আন্দোলনে সকল ধর্মের, সকল বর্ণের, সকল দলের মানুষ অংশগ্রহণ করেছে কিন্তু তারপরও কিছু গোষ্ঠী নিজেদের মূল স্টেকহোল্ডার হিসেবে দাবি করছে।









