কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। গোমতী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হলেও ভাঙ্গনের জন্য এখনও প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা।
সালদা নদী ও ঘুংগুর নদীর পানিতে প্লাবিত হচ্ছে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা। পাশাপাশি মনোহরগঞ্জ, নাঙ্গলকোটেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
কুমিল্লায় বন্যা কবলিত ১৪টি উপজেলায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে জীবনযাপন করছে। আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করছে প্রায় ১ লাখ মানুষ। সরকারি ও বেসরকারি হিসাব মতে, বন্যায় সবচেয়ে বেশি মৃতের সংখ্যা কুমিল্লায়। বন্যার জন্য এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ।
কৃষি বিভাগ বলছে, অন্তত ৬০ হাজার হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্যার কারণে। প্রাথমিক ধাক্কায়, ৪০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে মৎস্য খাতে।
এদিকে বন্যা কবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ আসলেও ব্যবস্থাপনার অভাবে ত্রাণ পৌঁছাতে পারছে না দুর্গম এলাকাগুলোতে। বিভিন্ন সরকারি বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছে দুর্গতদের উদ্ধারে। তবে দক্ষিণাঞ্চলে বন্যা কবলিতদের মাঝে দেখা দিয়েছে নানান রোগের প্রাদুর্ভাব। ডায়রিয়া ও চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সেখানকার শিশুরা।









