গাজা দখলের ইসরায়েলি পরিকল্পনার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আগামীকাল (রোববার) জরুরি বৈঠক ডেকেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইসরায়েলি পরিকল্পনার ব্যাপক নিন্দা ও সমালোচনার পর এই ঘোষণা দেয় পরিষদটি।
শনিবার (৯ আগস্ট) বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রধান মুখপাত্র এটিকে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সৌদি আরব ইসরায়েলের এ পরিকল্পনার স্পষ্টভাবে নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে তুরস্ক এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন রোধ করতে বিশ্বব্যাপী চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে গাজা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার এ পরিকল্পনার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন বিশ্বনেতারা। তবে এ সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেছেন, যেসব দেশ ইসরায়েলের নিন্দা করেছে এবং নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে তারা আমাদের সংকল্পকে টলাতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, শত্রুদেরকে প্রচণ্ড শক্তিতে আঘাত করা হবে।
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তে জাতিসংঘ, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডাসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে নিন্দার ঝড় তুলেছে এবং জার্মানি ইসরায়েলে সামরিক রপ্তানি বন্ধ করেছে।
ইসরায়েল তাদের পরিকল্পনায় যুদ্ধ শেষ করার জন্য পাঁচটি নীতি তালিকাভুক্ত করেছে। এগুলো হলো- হামাসকে নিরস্ত্র করা, সমস্ত জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়া, গাজা উপত্যকাকে নিরস্ত্রীকরণ করা, গাজা উপত্যকার ওপর ইসরায়েলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ এবং হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নয় এমন একটি বিকল্প বেসামরিক সরকার গঠন।
হামাস বলেছে, গাজা শহর দখলের পরিকল্পনা একটি নতুন যুদ্ধাপরাধ সৃষ্টি করবে এবং ইসরায়েলকে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।
শুক্রবার যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা গাজার বিপর্যয়কর পরিস্থিতিকে এই পরিকল্পনা আরও খারাপ করবে আখ্যা দিয়ে বলেন, “সংযুক্তিকরণ বা বসতি স্থাপনের যে কোনও প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে।









