তুর্কি ইসলামোফোবিয়া সাংবাদিক উজায় বুলুতের প্রবন্ধের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার প্রবন্ধে বাংলাদেশ ভুলভাবে চরমপন্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এমন পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) প্রেস উইং ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে উজায় বুলুতের লেখার দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সেখানে প্রেস উইং জানায়, তুর্কি এই সাংবাদিকের লেখাগুলো প্রোপাগান্ডামূলক ও ভিত্তিহীন।
সম্প্রতি তুর্কি ইসলামোফোবিয়া সাংবাদিক উজায় বুলুত বাংলাদেশকে নিয়ে ধারাবাহিক প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি ভিত্তিহীন দাবি করেন যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চরমপন্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে।
তার প্রবন্ধগুলো- দ্য ইউরোপীয়ান কনজারভেটিভ, দ্য ফ্রন্ট পেজ এবং গেটস্টোন ইন্সটিটিউট-এ প্রকাশিত হয়েছে। প্রেস উইং ফ্যাক্ট জানায়, এসব প্রবন্ধে তিনি যেসব দাবি করেছেন তা কেবল বিভ্রান্তিকর নয়, বরং বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতিকে বিপজ্জনকভাবে বিকৃত আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।
‘দ্য তালেবানাইজেশন অব বাংলাদেশ’ শিরোনামে গত ১৫ জুন দ্য ইউরোপীয়ান কনজারভেটিভ-এ একটি প্রোপাগান্ডামূলক লেখা প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি একই শিরোনামে দ্য ফ্রন্ট পেজে অনুরূপ একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।
উজায় বুলুত দাবি করেন, বাংলাদেশের ২০২৪ সালের গণআন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন নয়, বরং তা ইসলামী চরমপন্থীদের দ্বারা দখলকৃত আন্দোলন ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নেতৃত্বে বসানো হয়।
তার মতে, এর ফলে সংখ্যালঘু ও প্রগতিশীল গোষ্ঠীর উপর ব্যাপক হারে হামলা শুরু হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল হিন্দু নেতা ভবেশ চন্দ্র রায়ের মৃত্যু। বিএইচবিসিইউসি এবং আরআরএজি-এর মতো বিতর্কিত সূত্রের বরাতে তিনি জানাচ্ছেন, হাজার হাজার হামলা হয়েছে এবং এর এর মাধ্যমে প্রমাণ হয় ইসলামী উগ্রবাদ ছড়িয়ে পড়ছে।
প্রেস উইং জানায়, এসব দাবি ভিত্তিহীন, সমস্যাসংকুল ও বিভ্রান্তিকর।









