তুরস্ক থেকে ভূমিকম্প-উত্তর পরিস্থিতি: তুরস্কে ভূমিকম্পে যেসব মানুষ গৃহহীন হয়েছেন তাদের আশ্রয় হয়েছে তাঁবু কিংবা কন্টেইনারে, কেউ আবার আশ্রয় নিয়েছেন ভূমিকম্পের পর দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা মসজিদের মত অবকাঠামোতে। কেউ চলে গেছেন সুবিধামত আশ্রয়ে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের চলে যেতে হচ্ছে নিজ নিজ বাড়িতে। তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গাজিয়ান্তেপ ইউনিভার্সিটি বন্ধ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা যাচ্ছেন নিজ নিজ আশ্রয়ে।
৬ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গাজিয়ান্তেপ, কাহারামানমারাস, আদানা, ওসমানিয়া, ইসকেন্দেরুন, কিলিস, আদিয়ামান, নিজিপ, সানলিউরফা, সিভিরিক, ইলাজিগ, মালাতায়া, আলেপ্পে, হাতাইসহ বেশকিছু অঞ্চল।
তীব্র ঠাণ্ডা, তার ওপর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মানুষ চরম দুর্ভোগে। উদ্ধার অভিযান চলছে, তবে এত বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে উদ্ধার অভিযান যেন শেষ হতে চায় না।
বেঁচে যাওয়া মানুষের আশ্রয়, খাবার, গরম কাপড় ও চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন দেশ। এতকিছুর পরেও যারা সব হারিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন একটু সুযোগ পেলেই তারা চলে যেতে চান আরও ভালো জায়গায়।
ভূমিকম্প বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। এতে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।
দুর্গত এলাকার জনজীবনে ভূমিকম্পের প্রভাব থাকবে আরো বেশকিছু দিন।







