২০২৪ সালে পুনর্নির্বাচিত না হলে সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনী ফলকে অবৈধভাবে উল্টে দেওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হতেন। এমনই দাবি করা হয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগের এক প্রতিবেদনে।
বিবিসি জনিয়েছে, বিশেষ কাউন্সেল জ্যাক স্মিথের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যা তাকে নির্বাচনী হস্তক্ষেপের জন্য দোষী সাব্যস্ত করতে পারে।
বিশেষ কাউন্সেল জ্যাক স্মিথ গত সপ্তাহেই তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২০২২ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্ত তদারকি করার জন্য স্মিথকে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
এই প্রতিবেদন সম্প্রতি কংগ্রেসে পাঠানো হয়েছে, যা ১৩৭ পৃষ্ঠার একটি ডকুমেন্ট এবং বিশেষত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনী ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। স্মিথ জানিয়েছেন, আদালতেও এই অপরাধের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ ছিল।
এদিকে ট্রাম্প প্রতিবেদনের এই অভিযোগকে ‘বিকৃত’ ও ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, স্মিথের তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।
প্রতিবেদনের একটি অংশে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গোপনীয় সরকারি নথিপত্র সংরক্ষণ করার অভিযোগও রয়েছে, যা তিনি মার-এ-লাগো রিসোর্টে রাখতেন।
এই মামলায় তার ব্যক্তিগত সহকারী ওয়াল্ট নাউটা, মার-এ-লাগোর সম্পত্তি ব্যবস্থাপক কার্লোস ডি অলিভেইরাও অভিযুক্ত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা চলছে। তাদের আইনজীবীরা বলেছেন, স্মিথের প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে ভবিষ্যতে জুরি এবং বিচার বিভাগের ক্ষতি হতে পারে।









