যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর আগামী ১০০ দিনের মধ্যে চীন ও ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জানুয়ারি) দেশটির ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য চীনের সাথে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক গভীরতর করা এবং ভারত-মার্কিন সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
চীন সফর নিয়ে আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই বেইজিং সফরের পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের প্রশাসন চীনা আমদানির ওপর নতুন শুল্ক আরোপের সম্ভাবনার মধ্যেও কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি চায়। ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো সমাধানের উদ্যোগ নিতে চান।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের সাথে ভারত সফর নিয়েও আলোচনা করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ওয়াশিংটন সফরের সময় প্রাথমিক পর্যায়ের কথাবার্তা হয়। ট্রাম্পের ভারত সফর এপ্রিলের প্রথম দিকে হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠকের সময় ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্প্রতি ট্রাম্পের সাথে ফোনে আলাপ করেছেন এবং তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে চীনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হান ঝেংকে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এটি হবে চীনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির প্রথম অংশগ্রহণ। ভারতের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
ফোনালাপের বিষয়ে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, আমি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে একটি দারুণ আলোচনা করেছি। আমরা একসাথে অনেক সমস্যার সমাধান করব এবং তাৎক্ষণিকভাবে শুরু করব। ট্রাম্প আরও বলেন, তারা বাণিজ্য, ফেন্টানাইল, টিকটকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। উভয় পক্ষই বিশ্বকে আরও শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করার জন্য কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।









