যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। ইউরোপের বাইরে থাকা আফগানিস্তানসহ মোট ১৯ দেশের নাগরিকদের সব ধরনের বৈধ অভিবাসন আবেদন অস্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
আজ (৩ ডিসেম্বর) বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সিবিসি নিউজ জানিয়েছে, যে ১৯টি দেশের ওপর সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়েছে, তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। এবার সেই নিষেধাজ্ঞাকে আরও সম্প্রসারণ করে অভিবাসন আবেদন পুরোপুরি স্থগিত করা হলো, যা ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিরও বড় অংশ।
নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক স্মারকলিপিতে যে দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তার তালিকায় রয়েছে- আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন, যেগুলি জুন মাসে সবচেয়ে কঠোর অভিবাসন বিধিনিষেধের শিকার হয়েছিল, যার মধ্যে কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রবেশের উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ ছিল।
জুন মাসে আংশিক বিধিনিষেধের শিকার হওয়া ১৯টি দেশের তালিকার অন্যান্য দেশ হল বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা।
ট্রাম্প প্রশাসনের সরকারি স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় একজন গার্ড সদস্য নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসব দেশের নাগরিকদের জমা দেওয়া সব আবেদন এখন থেকে স্থগিত থাকবে এবং প্রতিটি আবেদনকারীর ওপর পূর্ণাঙ্গ পুনঃপর্যালোচনা চালাতে হবে। প্রয়োজন হলে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারও নেওয়া হবে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরূপণ করা যায়।









