ঈদুল ফিতর সামনে রেখে নির্ধারিত সময়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন। ট্রেনের সূচিতে এমন সুব্যবস্থাপনা দেখে যাত্রীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
স্টেশন ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের লাইনে রাখা আছে ট্রেনের রেক। কোনোটাতে আবার অতিরিক্ত রাখা আছে। প্রতিটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন ছাড়ছে। ট্রেন ছাড়ার পর যেসব প্ল্যাটফর্ম খালি হচ্ছে, সেসব প্ল্যাটফর্মে পরবর্তী ট্রেনগুলোর রেক এনে রাখা হচ্ছে বা কোনো ফিরতি ট্রেনের জন্য খালি রাখা হচ্ছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এতটা সময় মেনে ট্রেন চলতে গতবছর কিছুটা দেখলেও আগে কখনও দেখিনি। আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো ট্রেনের জন্য। সূচি বিপর্যয়ে মানুষের ঈদযাত্রা হতো দুর্বিষহ। ট্রেনে এবারে ঈদ যাত্রী যাচ্ছে অনেকটা স্বস্তিতে।
অন্যদিকে, রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে সকাল থেকে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। প্রতিটি গাড়ি পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। ভাড়াও আগের মতোই রয়েছে। যাত্রী বেশি হওয়া গাড়িগুলো নির্দিষ্ট সময় ছেড়ে যেতে পারছে।
বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামিদামি গাড়িগুলো গত ১৪ তারিখ থেকে একটি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করেছে। অনেকে অগ্রিম টিকিট কিনেছে। অগ্রিম টিকিট বিক্রির কারণে এখানে যাত্রী আসলেই বাস ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।
ঈদ কেন্দ্র করে গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের জন্য ৪০ আসন বিশিষ্ট বাসের ভাড়া নির্ধারণ করেছে বিআরটিএ। সেখানে দেখা যায়, গাবতলী থেকে বরিশাল ৭১২ টাকা, গাবতলী থেকে পটুয়াখালী ৮১৯ টাকা, গাবতলী থেকে যশোর ৬৭৯ টাকা, গাবতলী থেকে বাগেরহাট ৮৯৩ টাকা, গাবতলী থেকে কালীগঞ্জ ৯৯৩ টাকা, গাবতলী থেকে সাতক্ষীরা ৯২০ টাকা, গাবতলী থেকে বেনাপোল ৭৩০ টাকা, গাবতলী থেকে কুষ্টিয়া ৬৭৬ টাকা ও গাবতলী থেকে মেহেরপুর ৭২৮ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।









