শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৪ দিন ছুটিতে কক্সবাজারে দেখা গেছে পর্যটকদের সমাগম। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিপুলসংখ্যক পর্যটকদের আগমন দেখা গেছে সৈকতগুলোতে।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় জেলা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। পর্যটকদের আগমনে খুশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। কোনো পর্যটক যেন হয়রানির শিকার না হয় , সেদিকে সজাগ দৃষ্টি প্রশাসনের।
সৈকতের লাবনী পয়েন্টের মার্কেট ব্যবসায়ী জয়নাল আবদীন জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে অনেকদিন মন্দা ভাব গেছে তাদের। বৃহস্পতিবার থেকে মোটামুটি বেচা বিক্রি শুরু হয়। শুক্রবার ভালো বিক্রি হয় বলে জানান এই ব্যবসায়ী।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মনির হোসেন জানান, ট্রেন আসার পর এই প্রথমবার তারা স্কুল বন্ধুরা মিলে পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসেছেন। ট্রেনে করে কক্সবাজার আসতে পেরে তাদের অনেক ভালো লাগার কথা জানান। মনির হোসেন বলেন, স্কুল বন্ধু ও তাদের পরিবার নিয়ে ছুঠিটা ভালই কাটছে কক্সবাজারে।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম শিকদার বলেন, শুক্রবার ও শনিবার সবগুলো হোটেল বুকড। অনেকদিন পর আমরা একসাথে অনেক পর্যটক পেলাম। আমাদের হোটেল মালিকরা পর্যটকদের সেবা নিশ্চিত করার কাজটি করে থাকে। যেন এসব পর্যটকরা আবার আসেন কক্সবাজারে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, পর্যটকরা যাতে কোন প্রকার হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়টির দিকে জেলা প্রশাসন বিশেষ নজর রেখেছে। জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল থেকে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। মাঠে রয়েছে ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেটের তিনটি দল। তারা সমুদ্র সৈকত সহ আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।









