মানুষের সমালোচনায় অতিষ্ঠ হয়ে নিজের জন্মভূমি পাকিস্তান ছেড়ে আলোচনায় জনপ্রিয় টিকটক তারকা সামিয়া হিজাব। সম্প্রতি এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করে রীতিমত আন্তর্জাতিক খবরে পরিণত হন তিনি।
সাম্প্রতিক একটি ভিডিওতে সামিয়া দাবি করেন, তার পোশাক নিয়ে পাকিস্তানে সাধারণ মানুষ থেকে সরকার- সবাই সমালোচনায় মগ্ন ছিলো। অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।
“পোশাক নয়, জাতির মানসিকতা ছোট হচ্ছে” বলেও এসময় ভিডিওতে মন্তব্য করেন সামিয়া।
ভাইরাল সেই ভিডিওতে সামিয়া জানান, পাকিস্তানের জনগণ ও সরকারের বিচারধর্মী (জাজমেন্টাল) আচরণের কারণেই তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
সামিয়া ভিডিওতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমার পোশাকে দিনে দিনে যে বদল ঘটছে, সেটা আমার দোষ নয়। এটা জাতির দোষ। মানুষের সংকীর্ণ মানসিকতা আমার জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার ও জনগণের চিন্তাভাবনা এক। তার ভাষ্য, “সরকার আর মানুষের চিন্তাভাবনা মিশে গেছে, সবাই একই রকম ভেতরে ভেতরে।”
সামিয়া হিজাব নিজের অভিজ্ঞতার তুলনা করেন ইউটিউবার রজব বাটের সঙ্গে, যিনি কয়েক মাস আগে পাকিস্তান ছেড়ে বিদেশে বসবাস শুরু করেছেন।
আবেগঘন কণ্ঠে সামিয়া বলেন, “রজব বাটের সাথেও একই ঘটনা ঘটেছে। তাকেও দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে”। সামিয়ার দাবি, তিনি ও রজব দুজনই “এক দেশ থেকে আরেক দেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন” এবং পরিবার থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
মানসিক ও সামাজিক চাপের কারণেই তিনি পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে স্পষ্ট ভাষায় জানান। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করছেন সামিয়া হিজাব। সেখান থেকেই তিনি ইনস্টাগ্রামে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন। তবে তার টিকটক অ্যাকাউন্ট এখনও প্রাইভেট।
যদিও সামিয়া স্বীকার করেছেন যে তিনি এখন দুবাইয়ে আছেন, তবে তিনি স্থায়ীভাবে দেশ ছেড়েছেন কিনা তা স্পষ্ট করেননি। অনেকেই ধারণা করছেন, অনলাইন সমালোচনা ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কারণেই তিনি পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। সামা.টিভি









