বর্তমান সময়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে হৃদরোগ ও কিডনি জনিত সমস্যা। এর এক বড় কারণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগ। এখন এমন ঘর খুঁজে বের করা দায় যেখানে ডায়াবেটিকস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী নাই।
অধিকাশ সময় আমাদের মধ্যে থেকে বেশি ভাগ মানুষ প্রথম দিকে বুঝে উঠতে পারে না যে তার ডায়াবেটিস আছে। যে কারণে চিকিৎসাও দেরিতে শুরু হয়। আবার অনেকে আছেন যারা এই রোগগুলোকে নিয়ে বেশি চিন্তিত না হয়ে নিজের প্রয়োজনীয় যত্নও নেয় না। তার মধ্যে একটি হচ্ছে তুলসীপাতা। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এমন অনেক ঘরোয়া উপকরণ আছে যা আমাদের হাতের সামনেই থাকে। শুধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেই নয়, তুলসীপাতার গুণাগুণ অনেক।
১) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তুলসীপাতায় থাকা যৌগগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তুলসীতে থাকা বিভিন্ন উপদান ইনসুলিনের ক্ষরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই নিয়ম করে তুলসীপাতা খেতেই পারেন।
২) ওজন নিয়ন্ত্রণ করে: অনেকেই হয়তো জানেন না যে, তুলসীপাতা খেলে ওজন কমে। তুলসীপাতার মধ্যে এমন গুণ আছে, যা হজমের প্রক্রিয়া দ্রুত করে। ফলে ওজন কমতে পারে তাড়াতাড়ি।
৩) মুখের দুর্গন্ধ দূর করে: তুলসীপাতা মুখগহ্বরের জীবাণু তাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে কয়েকটি তুলসীপাতা চিবিয়ে খেলে মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। তাতেই কমে দুর্গন্ধ।
৪) ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: সর্দি-কাশি বাড়লে অনেক সময়ে তুলসীপাতা খেতে বলা হয়। এই পাতায় এমন কিছু উপাদান আছে, যাতে রয়েছে ফুসফুসের স্বাস্থ্যরক্ষা করার ক্ষমতা। ব্রঙ্কাইটিসের মতো রোগ দূরে রাখে তুলসীপাতা।
৫) ত্বকের জন্যও উপকারী: তুলসীপাতা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। নিয়ম করে তুলসীপাতা চিবিয়ে খেলে ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব। যাঁদের ব্রণের সমস্যা রয়েছে, তাঁরাও কিন্তু উপকার পাবেন তুলসীপাতা নিয়মিত খেলে।









