পিএসজির কাছে হেরে ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। সেই হতাশার সঙ্গে এবার যুক্ত হল জামাল মুসিয়ালার চোট। গোড়ালির মারাত্মক চোটে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ২২ বর্ষী মিডফিল্ডারকে। তাতে শুরু হতে চলা নতুন মৌসুমের পুরোটাই মাঠের বাইরে থাকবেন তিনি। পাশাপাশি জার্মানির হয়ে আগামী বিশ্বকাপে খেলা নিয়েও শঙ্কা আছে বলে জানিয়েছে ইউরোপের সংবাদমাধ্যমগুলো। সেই সঙ্গে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে বায়ার্ন অধ্যায়ের ইতি টানলেন কিংবদন্তি তারকা থমাস মুলার।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শনিবার ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচের প্রথমার্ধে মুসিয়ালার সঙ্গে পিএসজির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোন্নারুমার আকস্মিক ধাক্কায় মাঠেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। গোড়ালিতে চোট পেয়ে তাকে যেতে হয় হাসপাতালে। যদিও কিছুদিন আগে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছিলেন মুসিয়ালা।
মুসিয়ালার চোট সম্পর্কে ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বায়ার্নের ম্যানেজার ভিনসেন্ট কম্পানি বলেছেন, ‘চোটের ধরণ দেখে খুব বেশি ভালো মনে হয়নি। তবে দেখতে যতটা খারাপ মনে হচ্ছে আশা করি ততটা খারাপ হবে না। সে এই পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে উঠবে।’
একইদিনে দীর্ঘ ২৫ বছরের সফল ক্যারিয়ারের পর বিদায় জানালেন বায়ার্নের থমাস মুলার। এই বাভারিয়ানের সাফল্যের ঝুলিতে আছে অসংখ্য শিরোপা। বায়ার্নের হয়ে তিনি জিতেছেন ১৩টি বুন্দেসলিগা, দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এবং দুটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। তিনি ছয়টি ডিএফবি-পোকাল শিরোপা, আটটি ডিএফএল-সুপারকাপ এবং দুটি উয়েফা সুপার কাপও জিতেছেন। বায়ার্নের হয়ে ৭০০এর বেশি ম্যাচ খেলে তিনি গোল করেছেন ২৫০টি এবং গোল করতে সাহায্য করেছেন ২০০টিরও বেশি।
মুসিয়ালার চোট এবং মুলারের চলে যাওয়াতে ভিনসেন্ট কম্পানি নতুন করে ভাবতে হবে তাদের মাঝমাঠ নিয়ে।









