বন্ধুত্ব এমনই এক সম্পর্ক, যা একদিকে যেমন ভালোবাসা, নির্ভরতা আর সহানুভূতির জায়গা, তেমনি মাঝে মাঝে ভুল-বোঝাবুঝি, দূরত্ব আর ত্যাগেরও গল্প হয়ে ওঠে। বলিউড বহু বছর ধরে এই আবেগঘন সম্পর্ককে বিভিন্ন রূপে পর্দায় তুলে ধরেছে।
রবিবার (৩ আগস্ট) বন্ধু দিবস, এ উপলক্ষে এবার ফিরে দেখা যাক এমন ৭টি বলিউড সিনেমা, যেগুলো বন্ধু আর বন্ধুত্বের গভীরতা, জটিলতা ও সৌন্দর্যকে নতুন করে চিনিয়ে দেয় –
শোলে
বন্ধুত্ব নিয়ে সিনেমার কথা হবে আর সেখানে ‘শোলে’র নাম থাকবে না, তা হয় না! জয় ও বিরুর বন্ধুত্ব শুধু কিংবদন্তীই নয়, আজও বন্ধুত্ব মানেই ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে’ গানে প্রাণ ফিরে পায়। প্রতিশ্রুতি, আত্মত্যাগ আর বন্ধুর জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই—সবই ছিল এই ছবিতে।
দিল চাহতা হ্যায়
ফারহান আখতারের পরিচালনায় তিন বন্ধুর গল্প নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে— ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি, দূরত্ব আর আবার একত্রে ফেরার গল্প। আকাশ, সমীর ও সিদ্ধার্থ— তাদের বন্ধুত্ব আজও “গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড” হয়ে আছে।
রঙ দে বসন্তী
ছয় বন্ধুর গল্প আর এক ভয়ংকর ট্র্যাজেডি। সিনেমায় বন্ধুত্বের দায়, আত্মত্যাগ আর প্রতিবাদকে শক্তিশালীভাবে দেখানো হয়েছে। সিদার্থ যখন ন্যায়বিচারের জন্য নিজের বাবাকে পর্যন্ত হত্যা করে, তখন বোঝা যায় বন্ধুত্বের প্রতি তার দায়বদ্ধতা কতটা গভীর।
রক অন!
একটা ব্যান্ড, যারা সময়ের তালে হারিয়ে গেলেও আবার ফিরে আসে একসঙ্গে— এই ফ্রেমে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের গল্প। ফারহান আখতার ও অর্জুন রামপালের সম্পর্ক বারবার প্রমাণ করে, বন্ধুত্ব টিকে থাকলে সময় কোনো বাধা নয়।
জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা
তিন বন্ধু— তিনটি আলাদা জগৎ ও একটি ট্রিপ। হৃতিক ও ফারহানের চরিত্রের মাঝে থাকা টানাপড়েন, আবেগঘন হাগ, আর একে অপরকে বোঝার মুহূর্তগুলো ছবিটিকে অনন্য করে তোলে। বন্ধুত্বের সত্যিকার অর্থ খুঁজে পেতে হলে, এই ছবি একবার হলেও দেখা উচিত।
ওয়েক আপ সিড
একজন কিশোর, যে কলেজে ফেল করে এবং তার বন্ধুরা পাশ করায় নিজেকে একা মনে করে সবার থেকে দূরে সরে যায়। পরে সে বুঝতে শেখে পরিবার, বন্ধু এবং ভালোবাসার মূল্য। আত্ম-উন্নয়নের এক অসাধারণ বন্ধুত্বঘন গল্প।
ককটেল
সবগুলো যখন পুরুষদের বন্ধুত্ব নিয়ে, তখন ককটেল দারুণ এক উদাহরণ নারীর বন্ধুত্বের। মীরা ও ভেরোনিকার মধ্যকার ভালোবাসা, অবিশ্বাস, ত্যাগ ও পুনর্মিলন এই ছবিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। ইন্ডিয়াটিভিনিউজ









