সারাদেশে কোন কোন আদালতে এখনো লোহার খাঁচা আছে তার তালিকা আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের।
সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এসময় হাইকোর্ট বলেন, ‘কোন সভ্য সমাজে দেশি-বিদেশি কোন আইনে এগুলো (লোহার খাঁচা) সমর্থন করে না। যা প্রতিষ্ঠিত মানবাধিকারের লঙ্ঘন।’
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেনে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. তানিম খান। রাষ্ট্র পক্ষ থেকে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে যে, ইতিমধ্যে কিছু কিছু আদালত থেকে লোহার খাঁচা সরানো হয়েছে।
দেশের অধ্বঃস্তন আদালত কক্ষে থাকা লোহার খাঁচা অপসারণে সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী এই রিটটি করেন। রিটকারি ওই ১০ আইনজীবী হলেন: জি এম মুজাহিদুর রহমান, মোহাম্মদ নোয়াব আলী, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ সাদিক, মিজানুল হক, মুজাহিদুল ইসলাম, মেসবাহ উদ্দিন, মোঃ জোবায়দুল ইসলাম, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সারোয়ার। পরবর্তী এই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সারাদেশে অধ্বঃস্তন কোন-কোন আদালত কক্ষে লোহার খাঁচা রয়েছে তা প্রতিবেদন আকারে জানাতে রুলসহ নির্দেশ দেন। হাইকোর্ট তার রুলে আদালত কক্ষে লোহার খাঁচার পরিবর্তে কাঠগড়া পুনঃস্থাপনের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়া আদালত কক্ষে লোহার খাঁচা বসানো কেন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১, ৩২ ও ৩৫ এর সাথে সাংঘর্ষিক হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়।









