বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বায়ু দূষণ রোধে বাতাস থেকে কার্বন সরিয়ে নেয়ার জন্য দুই ধরনের প্রযুক্তির পেছনে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১৩ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
গতকাল (১১ আগস্ট) শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা বাতাস থেকে কার্বন সরিয়ে নেয়ার জন্য দু’টি অগ্রসর প্রযুক্তি সুবিধার জন্য ১.২ বিলিয়ন পর্যন্ত ব্যয় করতে প্রস্তুত তারা। টেক্সাস এবং লুইসিয়ানায় প্রকল্প দু’টির প্রতিটির লক্ষ্য প্রতি বছর এক মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্মূল করা, যা মোট ৪ লাখ ৪৫ হাজার গ্যাস চালিত গাড়ির বার্ষিক নির্গমনের সমতূল্য।
দেশটির জ্বালানি বিভাগ এক বিবৃতিতে বলেছে, ইতিহাসে ইঞ্জিনিয়ারড কার্বন অপসারণের জন্য এটি বিশ্বের বৃহত্তম বিনিয়োগ।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব জেনিফার গ্রানহোম একটি বিৃৃতিতে বলেছেন, একাকী আমাদের কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবগুলোকে ফিরিয়ে আনবে না। আমাদেরও কার্বনডাইঅক্সাইড অপসারণ করতে হবে যা আমরা ইতোমধ্যে বায়ুমন্ডলে রেখেছি।
ডাইরেক্ট এয়ার ক্যাপচার (ডিএসি) কৌশলটি কার্বন ডাই অক্সাইড রিমুভাল (সিডিআর) নামেও পরিচিত, বাতাসে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি মোকাবেলায় এটি সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার মতে, এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মাত্র ২৭টি কার্বন ক্যাপচার সাইট চালু করা হয়েছে। অন্যান্য প্রকল্পের তুলনায় এই প্রকল্প দুটি বায়ু থেকে ২৫০ গুণ বেশি কার্বন ক্যাপচার করবে।
কিছু বিশেষজ্ঞ উদ্বিগ্ন যে, এই প্রযুক্তির ব্যবহার পরিবেশকে দূষণমুক্ত করার পরিবর্তে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি অজুহাত হবে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মার্ক জ্যাকবসন বলেন, সরাসরি ক্যাপচারের জন্য বাতাস থেকে কার্বনডাই অক্সাইড বের করার জন্য এবং পাইপের কম্প্রেস করতে প্রচুর বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এটা কেবল জলবায়ু সমস্যার সমাধানকে বিলম্বিত করবে।








