যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের আগমন নিয়ন্ত্রণে নতুন এক নীতমালা প্রণয়ন করেছে দেশটির সরকারা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, নিজেদের সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চান তিনি।
ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, এই লক্ষ্যে (১২ মে) সোমবার ইমিগ্রেশন হোয়াইট পেপার পলিসি নামে নীতিমালা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। নতুন এই নীতিমালায় অভিবাসীদের যু্ক্তরাজ্যে নাগরিকত্ব পাওয়ার বিধান পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে তাদের ভাষাগত দক্ষতা, দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
লেবার পার্টির নেতা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, গবেষণামুলকভাবে সীমান্ত খোলা রাখার’ বিষয়টি তিনি বন্ধ করতে চান৷ এমন কার্যক্রমের ফলে যুক্তরাজ্যে কনজারভেটিভ সরকারের আমলে নিট মাইগ্রেশন প্রায় এক মিলিয়ন বেড়েছে বলে দাবি লেবার পার্টির গঠিত সরকারের। এই নীতিমালার (শ্বেতপত্র) ফলে পুনরায় সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হবে।
শ্বেতপত্রে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন কারার আগে প্রার্থীকে ১০ বছর দেশটিতে অবস্থান করার বিধানযুক্ত করা হয়। আগের নিয়মে এটি ছিল পাঁচ বছর। ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে পরিবর্তন৷ প্রাপ্তবয়স্ক নির্ভরশীল ব্যক্তিদেরকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।
এদিকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বেলায়ও সরকারের কঠোর হবে বলে নীতিমালায় ইঙ্গিত মিলেছে৷ জানা গেছে, পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে অবস্থান করার মেয়াদ কমিয়ে আনা হবে। শুধু তাই নয়, বিদেশি দক্ষ কর্মীদের দেশটিতে কাজের সুযোগ পেতে ন্যূনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি থাকার বিধানের কথা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে।
ডাউনিং স্ট্রিটে সাংবাদিকদের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ভুল করা যাবে না, এই পরিকল্পনার মানে হলো অভিবাসীর সংখ্যা কমে আসবে৷ এটিই প্রতিজ্ঞা। যদি আরো পক্ষেপ নেওয়ার দরকার হয়, আমার কথা খেয়াল করুন, আমরা পদক্ষেপ নেব৷
উল্লেখ্য, গত বছর জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচনি প্রতিশ্রতির অংশ হিসেবে দেশের নিট মাইগ্রেশন ব্যপকভাবে কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলো লেবার পার্টি। এরই অংশ হিসেবে এই শ্বেতপত্র ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্যে সরকার।









