চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • লাইভ টিভি
    [vc_row][vc_column][vc_video link="https://www.youtube.com/live/GvSQMcp7GDo?si=AFUi4hYFRyndxJNP" css=""][/vc_column][/vc_row]
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় খালাসের রায়ে সর্বোচ্চ আদালতের যে পর্যবেক্ষণ

এস এম আশিকুজ্জামানএস এম আশিকুজ্জামান
6:49 pm 04, September 2025
- সেমি লিড, আদালত
A A
ছবি: জাকির সবুজ
Advertisements

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছেন সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পর্যবেক্ষণ দেয়া হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল বৃহস্পতিবার ৪ সেপ্টেম্বর খারিজ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে পর্যবেক্ষণসহ রায় দেন।

আলোচিত এই রায়ের সর্বোচ্চ আদালত বলেন, যে পরিস্থিতিতে আসামিদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে, সেসব জবানবন্দি কতটুকু স্বতঃস্ফূর্ত ছিল তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ আছে। যেমন, কথিত মূল পরিকল্পনাকারী মুফতি আব্দুল হান্নান প্রথম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার চার বছর পর দ্বিতীয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। দ্বিতীয় জবানবন্দির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার আগে তিনি দীর্ঘ সময় কারাগারের কনডেমড সেলে বন্দি ছিলেন। বাকি আসামিরাও দীর্ঘ সময় পুলিশি হেফাজতে থাকার পর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে জবানবন্দি দেন। এছাড়া, তিনজন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি একজন ম্যাজিস্ট্রেট একদিনে অস্বাভাবিক গতিতে রেকর্ড করেন, যা এ সংক্রান্ত নিয়ম-নীতির গুরুতর লঙ্ঘন। অধিকাংশ আসামি তাঁদের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল- স্বীকারোক্তি নেওয়ার আগে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাঁদের অমানবিক নির্যাতন-নিপীড়ন করে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়া অবৈধভাবে হেফাজতে রেখেছিল। ফলে স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত ছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

সর্বোচ্চ আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, সবচেয়ে বড় কথা- কথিত অভিযুক্ত মুফতি আব্দুল হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুসারে তাঁকে স্বীকারোক্তির বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা মামলাটিকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করেছে। ফলে এসব স্বীকারোক্তি হয় চাপ প্রয়োগ করে, নয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আদায় করা হয়েছে, যা আইনের চোখে বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে বিবেচিত হয়েছে। চূড়ান্ত বিশ্লেষণে এই স্বীকারোক্তিগুলো নির্ভরযোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এ বিষয়টি হাইকোর্টের রায়ে উপেক্ষা করা হয়েছে, যা পর্যালোচনা করা উচিত ছিল।

এদিকে, এই মামলাটি নতুন করে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে হাইকোর্ট তার রায়ে যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন, তা সঠিক নয় উল্লেখ করে (এক্সপান্স) বাতিল করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। এ বিষয়ে আপিল বিভাগের আজকের রায়ে বলা হয়েছে, মামলার নথিভুক্ত তথ্য এবং বিদ্যমান পরিস্থিতির সঙ্গে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাছাড়া কোনো নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে প্রভাব তৈরি করে এমন কোনো পর্যবেক্ষণ আদালত দিতে পারেন না। ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির ভিত্তিতে হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণটি বাতিল করা প্রয়োজন। কারণ এই পর্যবেক্ষণ নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে বিচারিক হস্তক্ষেপের সামিল। তবে এই পর্যবেক্ষণ ছাড়া হাইকোর্টের রায়ে কোনো ত্রুটি বা অবৈধ কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেন সর্বোচ্চ আদালত।

আজকের রায়ে বলা হয়েছে যে, সাজাপ্রাপ্ত (বিচারিক আদালতের রায়ে) যেসব আসামি এই মামলায় আপিল করেননি, খালাসের রায় তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং এই মামলায় কারো বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলে তা প্রত্যাহার করা হলো।

আদালতে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মাসুদ। অন্যদিকে আসামি পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত ১ ডিসেম্বর এই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ। সে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত ও কয়েকশো মানুষ আহত হন। ওই গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সিআইডি এই মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দিলে শুরু হয় বিচার। তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এই মামলায় অধিকতর তদন্তে আসামির তালিকায় যুক্ত করা হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে।

দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন আলোচিত মামলার রায় দেন। আলোচিত ওই রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হুজির সাবেক আমির ও ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, ‘কাশ্মীরি জঙ্গি’ আব্দুল মাজেদ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. উজ্জ্বল, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, হানিফ পরিবহনের মালিক মোহাম্মদ হানিফ।

বিচারিক আদালতের রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়। সে রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হুজি সদস্য হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল ওরফে খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল ওরফে ইকবাল হোসেন, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই, রাতুল আহমেদ ওরফে রাতুল বাবু।

এছাড়া, বিচারিক আদালতের রায়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আশরাফুল হুদা ও শহিদুল হক, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগনে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ডিজিএফআইয়ের মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, ডিএমপির সাবেক উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, আরেক সাবেক উপ-কমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খোদা বক্স চৌধুরী, সিআইডির সাবেক বিশেষ সুপার মো. রুহুল আমিন, সাবেক এএসপি আবদুর রশিদ, সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে দুই বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই মামলার আরেকটি ধারায় খোদা বক্স চৌধুরী, রুহুল আমিন, আবদুর রশিদ ও মুন্সি আতিকুর রহমানকে তিন বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেয় আদালত।

বিচারিক আদালতে এই রায়ের দেড় মাসের মাথায় ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্সসহ মামলার নথি হাইকোর্টে আসে। ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের আপিল ও জেল আপিল শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি চলছিল। তবে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর হাইকোর্ট বেঞ্চ পুনর্গঠন হলে শুনানি শেষে গত ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই মামলার সব আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন।

ট্যাগ: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাঅতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলআপিল বিভাগপ্রধান বিচারপতিবিচারিক আদালতসুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগহাইকোর্ট
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

এশিয়া কাপে গ্রুপপর্বে ছিটকে যাবে বাংলাদেশ, বলছেন আকাশ চোপড়া

পরবর্তী

সাংবাদিকদের মাঝে দুই কোটি ১০ লাখ টাকার অনুদান বিতরণ

পরবর্তী
সাংবাদিকদের মাঝে কল্যাণ অনুদান বিতরণ।

সাংবাদিকদের মাঝে দুই কোটি ১০ লাখ টাকার অনুদান বিতরণ

কলকাতায় হোঁচট খেলেন ইধিকা, নতুন ছবিতে ভরাডুবি

সর্বশেষ

চিরন্তন নায়করাজ

January 23, 2026
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা jকরেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

৭১-এ একটি রাজনৈতিক দলের ভূমিকা দেশের বিরুদ্ধে ছিল: তারেক রহমান

January 22, 2026
‘বোর্ড অব পিস’ এ স্বাক্ষর ট্রাম্পের।

‘বোর্ড অব পিস’-এ ট্রাম্পের স্বাক্ষর, সদস্যপদ পেতে লাগবে বিলিয়ন ডলার

January 22, 2026

শ্রীলঙ্কায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশ

January 22, 2026

নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনেই দেশজুড়ে বিভিন্ন দলের জমজমাট কর্মসূচি

January 22, 2026
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT

Exit mobile version