দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠের এশিয়া উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদুল আজহার জামাতের জন্য সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। মুসল্লিরা যেন সহজে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন সে জন্য পার্শ্ববর্তী জেলাসহ দূরদূরান্ত থেকে মুসল্লিদের আগমনের জন্য দুইটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সোমবার ১৭ জুন গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮ টায়। জামাতে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশিত করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সমগ্র ইদগাহ মাঠ সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশ আনসারের পাশাপাশি র্যাব মোতায়েন এবং গোয়েন্দা নজরদারিও থাকছে। এছাড়াও পুলিশ ও র্যাবের কন্ট্রোল রুম করা হয়েছে।
ঈদগাহ মাঠে নামাজির কাতারের জন্য মাঠে লাইন টানা, মাঠের তিন দিকে তোরণ নির্মাণ, নামাজিদের জন্য ওজুর পানি ও পয়নিষ্কাশন, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ব্যবস্থাসহ মাঠ সজ্জার কাজ শেষ হয়েছে। কোনো মুসল্লি জামাতে এসে অসুস্থ্য হলে সেজন্য অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে । মাঠের আরেকটি অংশে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন যানবাহনের গ্যারেজ।
এছাড়াও পাশের স্টেশন ক্লাব,সার্কিট হাউজ, শিশু একাডেমি,কালেক্টরের স্কুল এন্ড কলেজ ও জেলা গণগ্রন্থাগারেও যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাশাপাশি রয়েছে জেনারেটের ব্যবস্থা। লাগানো হয়েছে শতাধিক মাইক।
গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, মাঠে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী দুইটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছেন। পঞ্চগড় থেকে দিনাজপুর এবং পার্বতীপুর থেকে দিনাজপুর।
তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের আনা নেয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে এই ট্রেন। মুসল্লিদের নামাজে যেন কষ্ট না হয় এ কারণে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গেল ঈদুল ফিতরে এক সঙ্গে ৫ লাখ মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেছিল এ ঈদগাহ মাঠে। এবার পশু কোরবানির কারণে কিছুটা কম হলেও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজে অংশ গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি আমরা।








