রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা সংস্কারে ছয় বিশিষ্ট নাগরিককে দায়িত্ব দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ড. ইফতেখারুজ্জামানকে।
আনুষ্ঠানিকভাবে ১ অক্টোবর কাজ শুরু করবেন তিনি।
ইফতেখারুজ্জামান এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন: দুদক রাজনৈতিক প্রভাব এবং আমলাতন্ত্রের কাছে জিম্মি। এর থেকে সংস্থাটিকে মুক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। দুদকের উচ্চ পর্যায়ে এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে হবে যারা ব্যক্তি জীবনে রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতিমুক্ত। পাশাপাশি দুদকের আলাদা প্রসিকিউশন টিম থাকা প্রয়োজন। পরবর্তী যেকোনো সরকারের অধীনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সংস্কার কমিশন সেই দিকটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেবো।
কে এই ড. ইফতেখারুজ্জামান
ড. ইফতেখারুজ্জামান ১৯৬৮ সালে মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের অধীনে উচ্চ বিদ্যালয় সম্পন্ন করেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি অর্থনীতিতে স্নাতক অধ্যয়ন সম্পন্ন করেন রকলা ইউনিভার্সিটি অফ ইকোনমিক্স থেকে । তিনি এসজিএইচ ওয়ারশ স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন । ১৯৮৮ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তারপোস্ট ডক্টরেট গবেষণা করেন।
কর্মজীবনে ড. ইফতেখারুজ্জামান ১৯৮২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের একজন গবেষক এবং পরবর্তীতে গবেষণা পরিচালক ছিলেন । ১৯৯১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত, ইফতেখারুজ্জামান বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ছিলেন । বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন ত্যাগ করার পর তিনি ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন।
ইফতেখারুজ্জামান ২০০৮, ২০১২ এবং ২০১৫ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের আন্তর্জাতিক পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচিত হন।









