ভারতে হৃদরোগে আক্রান্ত একজন রোগীর পালস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও হাল ছাড়েননি চিকিৎসকরা। দীর্ঘ ৪৫ মিনিটের চিকিৎসা এবং চেষ্টার পর ওই রোগীর প্রাণ ফিরিয়ে আনেন তারা।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারতের নাগপুরের ৩২ বছর বয়সী একজন রোগী হার্ট অ্য়াটাক করে হাসপাতালে আসলে কিছুক্ষন পর থেকেই তাঁর পালস পাওয়া যাচ্ছিল না তার। তবে চিকিৎসকরা সহজে হাল ছাড়েননি। ওই ব্যক্তিকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর করা হয়। এরপর কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশনে অবশেষে সাড়া দেন তিনি। প্রাণ ফিরে আসে তার।
এদিকে চিকিৎসকদের মতে, ক্রমাগত সিপিআর দিলে রোগীর বুকের পাঁজর ভেঙে যেতে পারে। তাছাড়া শক থেরাপি দিলে অনেক সময় চামড়া পুড়ে যায়। তবে বহু ক্ষেত্রে এই ধরণের পরিস্থিতিতে সিপিআর করা হলেও ৪০ মিনিট পর সাধারণত আশা ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ৪০ মিনিট পরেও সিপিআর করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বেঁচে যান তিনি। সিপিআরের কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া থাকলেও এক্ষেত্রে তেমন কিছু হয়নি রোগীর।
ওই যুবক আইটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। চার পাঁচদিন ধরে তার বুকজ্বালা করছিল। দুবার অজ্ঞানও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এরপরই একটা সময় তার হার্ট অ্যাটাক হয়। তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে দ্রুত চিকিৎসা চালানো হয়। তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিবারে কান্নার রোল পড়ে যায়। সকলেই ভেবেছিলেন হয়তো মারা গিয়েছেন তিনি। প্রাণের লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর হাসি ফোটে স্বজনদের মুখে।








