দীর্ঘদিন ধরে দেশে ডলার সংকট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় মূল্য নির্ধারণে দেশীয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয় পদ্ধতি (ক্রলিং পেগ) চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখন থেকে মধ্যবর্তী দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা। এরসঙ্গে ১ টাকা যোগ ও ১ টাকা বিয়োগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। এর অর্থ হচ্ছে ডলারের সর্বোচ্চ দর হবে ১১৮ টাকা।
বুধবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে করে এখন ডলারের দর বাড়বে। এতোদিন ১১৫ থেকে ১১৬ টাকায় ডলার বেচাকেনা হচ্ছিল।
সার্কুলারে বলা হয়, এখন থেকে ক্রলিং পেগ নামের নতুন পদ্ধতিতে ডলার কেনা-বেচা হবে। এ পদ্ধতিতে ডলারের রেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা।
এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা। যা ছিল অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাফেদা নির্ধারিত ডলার রেট।
এদিকে সুদের হার নির্ধারনে স্মার্ট পদ্ধতি তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এখন থেকে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণের সুদ হার চূড়ান্ত হবে। মূল্যস্ফীতি কমাতে নীতিসুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
ক্রলিং পেগ কী:
ক্রলিং পেগ হচ্ছে দেশীয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে। ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও পারবে না।
এ পদ্ধতিতে প্রতি মার্কিন ডলারের দাম ক্রলিং পেগ মিড রেট (সিপিএমআর) নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা।
ফলে তফসিলি ব্যাংকগুলো সিপিএমআরের আশপাশে মার্কিন ডলার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে এবং আন্তঃব্যাংক লেনদেন করতে পারবে।









