ফৌজদারি মানহানির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর সাজা স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছে দেশটির একটি আদালত।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
গান্ধীকে ২০১৯ সালের একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপাধি নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। তবে সমস্ত আইনি আপিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
গান্ধীর আইনজীবী কিরিট পানওয়ালা বলেছেন, তারা গুজরাট হাইকোর্টে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করবেন।
গত ২৩ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার একদিন পরে সংসদে তার আসন হারান রাহুল। দেশটির আইন অনুযায়ী একজন আইনপ্রণেতা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত এবং দুই বা তার বেশি বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তাকে অবিলম্বে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
কংগ্রেস রাহুলের শাস্তির সমালোচনা এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য অভিযুক্ত করেছে। যদিও বিজেপি তা অস্বীকার করে বলেছে, মামলায় যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের প্রচার করতে নেমে কর্নাটকের একটি জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে রাহুল বলেছিলেন, ‘সব চোরদের পদবি কি মোদিই হয়?’ রাহুলের এই মন্তব্যে মোদি সম্প্রদায়ের মানুষের মর্যাদাহানি হয়েছে বলে দাবি করে গুজরাটের সুরাটের একটি আদালতে কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন ওই রাজ্যেরই এক বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদি।








