সিঙ্গাপুর আরবিট্রেশন সেন্টারে সালিশি মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বন্ধ থাকা কাজ শুরু করতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। এবার বাকি কাজ শেষ করার দায়িত্ব পেয়েছে দুই চীনা কোম্পানি।
জটিলতা নিরসন করে এক মাসের মধ্যেই কাজ শুরু করা সম্ভব হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা কঠিন বলে মনে করে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ।
পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপি মডেলে ঢাকার প্রথম দ্রুতগতির উড়ালসড়ক ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য থাইল্যান্ডভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতাল-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে ২০১১ সালে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করতে না পারায় ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি কোম্পানির ৪৯ শতাংশ শেয়ার চীনা কোম্পানী শ্যাংডং ও সিনোহাইড্রোর কাছে বিক্রি করে দেয়।
পরে শেয়ারের বিপরীতে এক্সিম ব্যাংক চায়না ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়নার কাছ থেকে ৮৬১ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেয় ইতাল-থাই। কিন্তু চলতি বছর সুদ পরিশোধ নিয়ে ঝামেলায় এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ নিয়ে দেখা দেয় জটিলতা। হয় মামলা। ঢাকার কোর্ট থেকে সিঙ্গাপুর আরবিট্রেশন সেন্টারে গড়ায় সালিশি মামলা। সেখান থেকে মামলাটি খারিজ হয়েছে। এবার নির্মাণের দায়িত্ব পুরোপরি পেয়েছে চীনা কোম্পানি।
জটিলতা দূর হওয়ায় প্রায় ৮ মাস বন্ধ থাকা এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। দুই নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দ্বের কারণে নির্ধারিত সময়ে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে রয়েছে সংশয়। আগামী বছরের মধ্যে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করতে সব ধরণের চেষ্টা চালানো হবে বলেও জানান তিনি।









