বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমে আমার কথা বলা বন্ধ করেছিল স্বৈরাচারী সরকার। কিন্তু আমার কথা বলা বন্ধ থাকেনি। সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন পন্থায় আমি নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলেছি।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বিবিসি বাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারের তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমি দীর্ঘ ১৭ বছর এখানে আছি এই দেশে, প্রবাস জীবনে। তবে আমার উপরে যখন দলের দায়িত্ব এসে পড়েছে তারপর থেকে আমি গ্রামেগঞ্জে আমার নেতাকর্মীসহ তাদের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষ যখন যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে আমি সকলের সাথে কথা বলেছি। আপনাদের নিশ্চয়ই জানেন বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় কোর্ট থেকে রীতিমতন একটা আদেশ দিয়ে আমার কথা বলার অধিকারকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমি যদি গণমাধ্যমে কিছু বলতে চাইতাম, হয়তো গণমাধ্যমের ইচ্ছা ছিল ছাপানোর, গণমাধ্যম সেটি ছাপাতে পারত না।
প্রেসক্লাবের সেসময়ের ভূমিকা বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একবার প্রেসক্লাবে কথা বলেছিলাম। তখন পরের দিন দেখলাম যে, প্রেসক্লাবে তখনকার যেই প্রেসক্লাবের যারা সদস্য ছিলেন বা কমিটি ছিল, তারা একটি তাদের মিটিং ডেকে একটি সভা করে তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা তখন আমাকে আইনের দৃষ্টিতে ফেরারী বলা হয়েছিল, যে সেরকম কোন ব্যক্তিকে তারা প্রেসক্লাবে কথা বলতে দিবে না। এভাবে তারা চেষ্টা করেছিল আমার কথা বন্ধ করে রাখতে। আমি কিন্তু কথা বলেছি।
তারেক রহমান আরও বলেন, আমি কথা বলেছি, হয়তো আপনারা তখন কথা নিতে পারেননি অথবা শুনতে পারেননি ইচ্ছা থাকলেও ছাপাতে পারেননি হয়তো, প্রচার করতে পারেননি। কিন্তু আমি বলেছি, আমি থেমে থাকিনি।









