তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টাইগার বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন লঙ্কান ব্যাটাররা। কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমার জোড়া ফিফটিতে দুই শতাধিক রানের সংগ্রহ গড়েছে তারা। জয়ের জন্য শান্ত-লিটনদের দরকার ২০৭ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে লঙ্কানদের ব্যাটে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। নির্ধারিত ওভার শেষে ৩ উইকেটে ২০৬ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।
টসে হেরে ব্যাটে নেমে ইনিংসের প্রথম বলে চার মেরে শুরু করেছিলেন অভিস্কা ফের্নান্দো। পরের বলে শরীফুলের ফাঁদে পা দেন লঙ্কান ওপেনার। লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ২ বলে চার রান করে।
তৃতীয় ওভারে রিভিউ হারায় বাংলাদেশ। শরীফুলের ওভারটিতে কিছুটা ছড়াও হন কামিন্দু মেন্ডিস। ১২ রান আদায় করে লঙ্কানরা। তবে পঞ্চম বলে লেগ বিফোরের আবেদন আসে। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন শান্ত। শরীফুল ইসলামের বল লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়ায় রিভিউ হারাতে হয়।
পঞ্চম ওভারে দ্বিতীয় শিকার এনে দেন তাসকিন। লেংথ ফেলা বল টেনে মারতে গিয়ে মিডউইকেটে সৌম্যর হাতে ধরা পড়েন কামিন্দু মেন্ডিস। ১৪ বলে ১৯ রান করে থেমেছেন এই ব্যাটার।
৩৭ রানে দুই টপঅর্ডার ব্যাটারকে হারালেও ব্যাটিং অর্ডারে লঙ্কানদের চাপ অনুভব করতে দেননি কুশল মেন্ডিস। সাদিরা সামারাবিক্রমাকে সঙ্গী করে তুলে নিয়েছেন ঝড়ো ফিফটি। ১২তম ওভারে রিশাদ হোসেনের ওপর ঝড় তোলেন মেন্ডিস। দুটি ছক্কা ও একটি চারে হাঁকিয়ে পূর্ণ করেন ফিফটি। মেন্ডিসের ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করা ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কার মার।
৬১ বলে ৯৬ রানের উড়ন্ত জুটি গড়েন তারা। ১৪.৪ ওভারে জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মেন্ডিসকে। ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩৬ বলে ৫৯ রান করেন এই ওপেনার।
ছয়টি চার ও এক ছক্কায় ৪৩ বলে ফিফটি পূর্ন করেন সামারাবিক্রমা। শেষের দিকে টাইগার বোলারদের ওপর ঝড় তোলেন চারিথ আশালঙ্কাকে সঙ্গী করে। দুইশ পেরিয়ে থামান শ্রীলঙ্কার ইনিংস।
আট চার ও এক ছক্কায় ৪৮ বলে ৬১ রান করেন সামারাবিক্রমা। ছয়টি ছক্কায় ২১ বলে ৪৪ রান করেন আশালাঙ্কা।
টাইগারদের হয়ে শরিফুল, তাসকিন ও রিশাদ একটি করে উইকেট নেন।







