ওটিটি প্লাটফর্ম আইস্ক্রিনের জন্য নির্মিত রায়হান রাফীর মুক্তি প্রতীক্ষিত ওয়েব ফিল্ম ‘অমীমাংসিত’ প্রদর্শনের উপযোগী নয় বলে জানিয়েছিল চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। ওয়েব কনটেন্টের ওপর সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকে হচ্ছিলো সমালোচনা।
৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বদলে গেছে প্রেক্ষাপট। শুধু অমীমাংসিত নয়, আরো যেসব চলিচ্চত্র সেন্সর বোর্ডে আটকে আছে- সবগুলোরই মুক্তি চাইছেন সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। এমনকি সেন্সর প্রথারই বিলুপ্ত করার জোর দাবী জানাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন অন্য নির্মাতারা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা৷
আইস্ক্রিনের জন্য নির্মিত রাফীর ‘অমীমাংসিত’ ওয়েব ফিল্মে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তানজিকা আমিন। সেই সময়ে সেন্সর বোর্ড তার অভিনীত ছবিটি আটকে দেয়ায় ব্যথিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সবার সাথেই সুর মিলিয়ে সেন্সর প্রথার বিলুপ্তি চাইছেন তানজিকাও!
সেন্সর বোর্ড থাকা না থাকার প্রশ্নে তানজিকা সাফ জবাব,“সেন্সর বোর্ড চাই না। সেন্সর বোর্ড থাকা উচিত না।”
তিনি বলেন, “একজন পরিচালকের কাজ সবকিছু তুলে ধরা। তিনি সব ধরনের গল্প পর্দায় নিয়ে আসবেন। সেখানে সেন্সর বোর্ড কেন আটকে রাখবে? আমাদের ‘অমীমাংসিত’ ছাড়াও ‘শনিবার বিকেল’সহ যেসব সিনেমা তখন মুক্তি দেওয়া হয়নি, এখন দেওয়া হোক।”
ক’দিন আগেই রায়হান রাফী চ্যানেল আই অনলাইনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, শিগগির ‘অমীমাংসিত’ আবার সেন্সরে দেব। আমরা সবাই চাই, দ্রুত ‘অমীমাংসিত’ রিলিজ হোক। যেহেতু আইনগতভাবে আটকে রাখা হয়েছে, আমরা আইনগতভাবে সমাধান করবো। আশা করছি, দ্রুত সবকিছু সমাধান হবে।
সাংবাদিক দম্পতিকে নিয়ে নির্মিত এই ফিল্মটি কেন আটকে রাখা হয়, এ বিষয়ে বিগত সরকারের তৎকালীন বোর্ড কিছু জানায়নি। এ বিষয়ে রাফী বলেন,“ওটিটিতে সেন্সরের নিয়ম নেই। তবুও আমাদের সেন্সর করতে বলা হয়েছিল। আমরা সেন্সর করেও ফেলেছিলাম। পরে হঠাৎ তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, আমরা ‘অমীমাংসিত’ দর্শকদের দেখাতে পারবো না।”









