জাতীয় ক্রিকেট লিগে লো স্কোরিং ইনিংস হয়েছিল রংপুর ও সিলেট ডিভিশনের মধ্যে। আগে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে রংপুর ডিভিশন দেড়শ পার করে অলআউট হয়। জবাবে নেমে দুইশো পার করতে পারেনি সিলেট ডিভিশন। প্রথম ইনিংসে ৩১ রানের লিড পাওয়া সিলেটের শেষদিনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৩৯ রান।
প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া রংপুর ডিভিশন দ্বিতীয় ইনিংসেও আবারও বিপর্যয়ে পড়েছিল। ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর রংপুরকে টেনে তুলেছেন তানবীর হায়দার ও নবীন ইসলাম। তানবীরের থেকে ৭২ রানের ইনিংস পাওয়া রংপুর নবীনের থেকে ৬৩ রানের সম্মানজনক পুঁজি পায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে তোফায়েল আহমেদ ও রাহাত ফেরদৌস ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন।
রংপুর পরের কোনো ব্যাটার থেকে এক রানও পায়নি। দলটি ২২০ রানে অলআউট হলে সিলেটের জয়ের জন্য লক্ষ দাঁড়ায় ১৮৯ রান। শেষ দিনে দলটির প্রয়োজন আরও ১৩৯ রান, হাতে রয়েছে ৮ উইকেট। ওপেনার পিনাক ঘোষ ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। শুরুতেই তাকে সঙ্গ দেবেন নাইটওয়াচম্যান রেজাউর রহমান রাজা।
রংপুর ডিভিশন প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ৬২.৩ ওভার খেলে, রান করে ১৫৮। অধিনায়ক আকবর আলীর থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৭ রান। ৩৩ রান করেন ওপেনার খালিদ হাসান। সিলেটের তিন পেসার আবু জায়েদ, খালেদ আহমেদ এবং রেজাউর রহমান রাজা ৩টি করে উইকেট নেন।
সিলেট ব্যাটে নেমে ১৮৯ রানে অলআউট হয়। সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন অধিনায়ক অমিত হাসান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮ রান করে আনেন দুই ওপেনার পিনাক ঘোষ ও তাওফিক খান। প্রথম ইনিংসে ৩১ রানের লিড পায় সিলেট ডিভিশন।









