উগান্ডার বিপক্ষে ১২৫ রানের জয়ের ম্যাচে বল হাতে প্রথম ওভারেই হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন ফজলহক ফারুকী। ভাগ্য সহায় না হলেও আফগানিস্তানের এই পেসার নিজেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা বোলারদের কাতারে নিয়ে গেছেন। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বমঞ্চে তিনি এখন ইতিহাসের চতুর্থ সেরা বোলিং ফিগারের মালিক।
গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার আফগানদের হয়ে ৪ ওভারে কেবল ৯ রান দেন পেসার ফারুকি। ২.২৫ ইকোনোমিতে একাই নেন ৫ উইকেট।
লঙ্কান স্পিনার অজন্তা মেন্ডিস ৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন। ২০১২ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি এই কীর্তি গড়েন। ২০১৪ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ রানে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন রঙ্গনা হেরাথ। ২০০৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ রান ৫ উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানের উমর গুল।
হ্যাটট্রিক না পেলেও কোনো আক্ষেপ নেই এমনটাই জানান ফারুকী। বললেন, ‘হ্যাটট্রিক আমি কয়েকবার মিস করেছি। এটি আসলে এমন একটি বিষয় যা, আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। সুযোগ পেলে আবারও চেষ্টা করব। আমি কয়েকটা ভালো বল করার চেষ্টা করেছিলাম, দেখছিলাম আসলে কী হয়। প্রথম দিকে সবচেয়ে বেশি সুইংয়ের চেষ্টা করেছি। পরে ধীরগতির বলগুলোও ভেতরে করার চেষ্টা করেছি।’
‘নিজের উন্নতির জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট দারুণভাবে সহযোগিতা করে, এমনকি বড় মঞ্চে খেললেও তাই। এখানে অনেক বড় খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলা হয়। এটা চাপের মুখে খেলতে এবং সঠিক জায়গায় বল করতেও সাহায্য করে।’
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৩ রানে পৌঁছায় রশিদ খানের দল। জবাবে ১৬ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে উগান্ডা থামে ৫৮ রানে। বিশ্বকাপে এটি আফগানিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ব্যবধানে জয়। আগেরটি ছিল ২০২১ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দলটি ১৩০ রানে জিতেছিল।









