কোনো বল গড়ানোর আগেই শ্রীলঙ্কা ও নেপালের ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। দুদল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নেয়ায় গ্রুপের টেবিলের হিসেবে অনেক সম্ভাব্য সমীকরণের রং পাল্টে গেছে। এ দুদলের ডি-গ্রুপে সঙ্গী বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস ও সাউথ আফ্রিকা। লঙ্কানদের পয়েন্ট ভাগাভাগিতে পরিবর্তিত যে টেবিল পরিস্থিতি, সেটির সুবাতাস কিছুটা হলেও আছড়ে পড়বে শান্ত-সাকিবদের ড্রেসিংরুমে। যদিও এখনো টিম টাইগার্সের হাতেই আছে নিজেদের সুপার এইটে যাওয়ার চাবিকাঠি। টি-টুয়েন্টি বিশ্বআসরে সুপার এইটের দুয়ার খোলার পথে টাইগারদের সমীরণ এখন কেমন, চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক।
তিন ম্যাচের সবকটিতে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ডি-গ্রুপ থেকে সবার আগে সুপার এইটে উঠে গেছে সাউথ আফ্রিকা। দুই খেলায় দুই পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ। সমান খেলায় ডাচরা দুই পয়েন্টে থাকলেও রানরেটে পিছিয়ে তিনে অবস্থান করছে। নেপাল দুই ও শ্রীলঙ্কা তিন ম্যাচে এক পয়েন্ট করে নিয়ে রানরেটের পার্থক্যে যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছে।
সুপার এইটে যেতে লাল-সবুজের দলের নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক সেরে নিতে পারলেই চলবে। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে জিতলে পরের রাউন্ডে পা দেয়া নাজমুল হোসেন শান্তর দলের জন্য আরও সহজ হয়ে যাবে। এরপর নেপালকে হারাতে পারলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটের টিকিট হাতে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ হাতে থাকা দুটি ম্যাচের একটিতে জিততে পারলেও পরের পর্বে ওঠার সুযোগ পেতে পারে। সেক্ষেত্রে টাইগারদের পয়েন্ট হবে ৪। এমন হলে শ্রীলঙ্কার কাছে নেদারল্যান্ডসের হার ও সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে হিমালয়ের দেশে নেপালের পরাজয় মিলতে হবে। তখন রানরেটে এগিয়ে থাকা মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।
যদি কোনো ম্যাচে বৃষ্টির ফাঁদে পড়ে বাংলাদেশ, কাগজে-কলমের হিসেবে ৩ পয়েন্ট নিয়েও টিম টাইগার্স যেতে পারে সুপার এইটে। বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, টাইগাররা যদি নেপালের কাছে হেরেও বসে কোনো অঘটনের দিনে, অন্যদিকে ডাচদের যদি শ্রীলঙ্কা হারায় এবং সাউথ আফ্রিকার কাছে নেপাল হারে, সেক্ষেত্রে হিসাব হবে বেশ জটিল। এমন হলে বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট হবে সমান ৩ করে। চার দলের মধ্যে রানরেটে বাংলাদেশকে এগিয়ে থাকতে হবে তখন।









