জয়ের কাছে গিয়েও আরেকবার পরাজয়ের বেদনায় পুড়েছে বাংলাদেশ। জমজমাট লড়াইয়ের পর ৪ রানের পরাজয়ের চেয়েও আলোচিত আম্পায়ারদের দুটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। যদিও টাইগারদের লড়াকু পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবিদার। সাউথ আফ্রিকার ব্যাটার হেনরিখ ক্লাসেনও প্রতিপক্ষকে নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যই করলেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্লাসেন বলেছেন, ‘আসলে বাংলাদেশ দুর্দান্ত হয়ে যায়, যখন উইকেট ধীর থাকে। এই কারণে আমরা ১২০ রান তাড়া করতে চাইনি। উইকেট অন্য ম্যাচের চেয়ে ভালো ছিল। তবে চাপের মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলা কঠিন। তাদের দলে বিশ্বের অন্যতম সেরা কাটার ও স্পিনার রয়েছে, তারা উঁচু মানের। এজন্য আমরা আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
২৩ রানে ৪ উইকেট হারানো প্রোটিয়াদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল টিম টাইগার্স। ডেভিড মিলারকে নিয়ে ৭৯ রানের জুটি গড়ে সামলান ক্লাসেন। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৪ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় সর্বাধিক ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন।
স্কোরবোর্ডে মাত্র ১১৩ রান নিয়েও জয়ের দেখা পাওয়া সাউথ আফ্রিকা প্রথম দল হিসেবে এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের টিকিট কেটেছে। নিউ ইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামের স্লো উইকেটে খেলা যে কঠিন ছিল, ক্লাসেন তা অকপটেই স্বীকার করছেন।
‘সত্যি বলতে পাওয়ার প্লেতে নানাভাবেই খেলতে পারেন। হয়তো মেরে খেলতে পারেন অথবা ধরে খেলতে পারেন উইকেট রেখে। আজ কুইন্টন ডি কক মেরে খেলতে চেয়েছিল। আগের ম্যাচেও এই পরিকল্পনায় খেলেছে। কারণ পরে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। ফলে উড়িয়ে মারলে ফাঁকা জায়গা পাওয়া যায়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বলটা নিচু হয়ে গিয়েছিল, নয়তো উপরে তিনতলায় হয়তো চলে যেত। সে দারুণ মেরে আমাদের ভালো সূচনা এনে দেয়। আমরা পরে উইকেট হারিয়ে অন্যান্য ম্যাচের মতোই চাপে পড়ে যাই।’









