বিশ্বকাপের মঞ্চে নিউজিল্যান্ডকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে দিয়েছে আফগানিস্তান। রশিদ খানের দল ৮৪ রানের বড় ব্যবধানে পেয়েছে জয়। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ তো বটেই, এই সংস্করণেই কিউইদের বিপক্ষে আফগানদের এটি প্রথম বিজয়। পরপর দুই ম্যাচ জিতে তারা সুপার এইটের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল। অসাধারণ জয়টিকে ‘অন্যতম সেরা’ পারফরম্যান্স মানছেন রশিদ নিজেই।
গায়ানার প্রভিডেন্সে শনিবার ভোরে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আফগানিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৫৯ রান। ওপেনিং ব্যাটার রাহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটে আসে সর্বাধিক ৮০ রান। রান তাড়ায় ১৫.২ ওভারে ৭৫ তুলে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। টি-টুয়েন্টিতে এটি উইলিয়ামসনদের চতুর্থ সর্বনিম্ন সংগ্রহ। মিরপুরে ২০২১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন ৬০ রানে অল আউট হয়েছিল ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এর আগে কেবল এক ম্যাচ খেলেছিল আফগানিস্তান। ২০২১ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ওই ম্যাচ হারলেও দ্বিতীয় দেখাতেই জয় পেয়ে গেছে রশিদ খানের দল।
ম্যাচ শেষে ২৫ বর্ষী অধিনায়ক বলেছেন, ‘টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটে এটা আমাদের সেরা পারফরম্যান্সগুলোর মধ্যে একটি। দলীয়ভাবে দারুণ প্রচেষ্টা ছিল। তবে উইকেট মোটেও সহজ ছিল না। ইব্রাহিম এবং গুরবাজ দারুণভাবে শুরু করেছিল। ৭-১০ ওভারের মধ্যে তারা নিজেদের উইকেট বিলিয়ে দেননি। আফগানিস্তানের জন্য দারুণ একটি জয়। এই দলের নেতৃত্ব দেয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পাওয়ার ব্যাপারটি সম্মানের।’
‘আমাদের যে বোলিং ইউনিট আছে, আমরা যদি তার সঠিক ব্যবহার করতে পারি, তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য ১৬০ রান করা কঠিন হবে। এটি এমন কিছু যা আমাদের সবাইকে শক্তি দিয়েছে। ব্যাটিংও এখন অনেক সবলীল। নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি। হারা কিংবা জেতা কোনো ব্যাপার না। এভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি।’
‘ফল নিয়ে আমি ভাবি না। আমরা কতটা চেষ্টা করেছি, সেটাই ব্যাপার। আমি পিচ নিয়েও ভাবি না। দলের মধ্যে যে প্রাণশক্তি আছে, সেটাই আমাকে আনন্দিত করে।’









