বাসার আল-আসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এই নিবার্চনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচনের উচ্চতর কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাহা আল-আহমাদ। রোববার (২৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে তিনি বলেছেন, ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৮ জুলাই) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সিরিয়ার নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, সিরিয়া সেপ্টেম্বরে সংসদ নির্বাচন আয়োজন করবে।
ডিসেম্বরে বিদ্রোহীদের আক্রমণে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের পতনের পর দেশটির নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ২১০টি আসনের এক-তৃতীয়াংশ অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং বাকিগুলো নির্বাচিত হবে।
ইরেম নিউজ সাইটের সাথে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিটির আরেক সদস্য হাসান আল-দাগিম বলেছেন, নির্বাচিত আসনের জন্য ভোট দেওয়ার জন্য সিরিয়ার প্রতিটি প্রদেশে একটি করে নির্বাচনি কলেজ স্থাপন করা হবে।
আসন্ন নির্বাচনের ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন এই মাসের শুরুতে দক্ষিণাঞ্চলীয় সুওয়াইদা প্রদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর দামেস্কের নতুন কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে দেশটি ক্রমশ বিভক্ত হয়ে পড়ছে। এই লড়াইয়ে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে এবং সিরিয়ার যুদ্ধ-পরবর্তী ভঙ্গুর পরিবর্তনের হুমকি রয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া সহিংস সংঘর্ষগুলা সশস্ত্র বেদুইন গোষ্ঠী এবং দ্রুজ ধর্মীয় সংখ্যালঘু যোদ্ধাদের মধ্যে প্রতিপক্ষের অপহরণের ফলে শুরু হয়েছিল। কিছু সরকারি সৈন্য দ্রুজ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করেছে এবং বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে এবং লুটপাট করেছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েল হস্তক্ষেপ করে, সরকারি বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে বিমান হামলা চালায়। ইসরায়েল বলেছে, তারা দ্রুজ সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য কাজ করছে।









