বাংলাদেশে ইউনাইটেড নেশন্স ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত “সফল অভিবাসী পরিবারের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা” কর্মসূচি বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, আর্থিক সম্পদ গঠনকে উৎসাহিত করা এবং ইতিবাচক আর্থিক আচরণের মাধ্যমে রেমিট্যান্স-নির্ভর অভিবাসী অর তাদের পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা গড়ে তোলা।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইউএনসিডিএফ জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ভিত্তিতে অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য একটি জেন্ডার-স্মার্ট ও অভিবাসী-কেন্দ্রিক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও বীমা সেবা চালু করবে। এই সেবা তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং এর সাথে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহনশীলতা বাড়াবে। পাইলট প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় পরিচালিত হবে।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের দারিদ্র্য ঝুঁকি কমানো। জেন্ডার-স্মার্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও আর্থিক সেবার ব্যবহার বৃদ্ধি। অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থিক সেবা সহজতর করতে উপযুক্ত নীতি ও দিকনির্দেশনা তৈরিতে সরকারকে সহায়তা প্রদান।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফ-এর কান্ট্রি লিড সাদাত মঈনুদ্দিন বলেন: “অভিবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কিন্তু তারা এবং তাদের পরিবার প্রায়ই আর্থিক অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত থাকে। বাংলাদেশে ইউএনসিডিএফ এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চলা এই কার্যক্রম অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে কাজ করবে।”
জাইনাক্স হেলথ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাইম আহমেদ বলেন: আমরা আমাদের ডিজিটাল উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অভিবাসী ও তাদের পরিবারের অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ও আর্থিক সমস্যা সমাধানে টেকসই প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চাই যা তাদের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করবে।









