পাঁচটি গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা থাকলেও এর আগে কখনও উইম্বলডনের ফাইনালে খেলা হয়নি ইগা সুয়াটেকের। প্রথমবার ফাইনালে ওঠেই জিতে নিলেন উইম্বলডন শিরোপা। আসরজুড়ে চমক দেখিয়ে ফাইনালে ওঠা আমান্ডা অনিসিমোভাকে হারিয়ে সুয়াটেক উঁচিয়ে ধরলেন ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ গ্র্যান্ড স্লাম ট্রফি। পাশাপাশি পোল্যান্ডের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডন জয়ের অনন্য কীর্তিও গড়লেন তিনি।
সেন্টার কোর্টে শনিবার মেয়েদের এককের ফাইনালে দাপুটে পারফরম্যান্স করেছেন সুয়াটেক। যুক্তরাষ্ট্রের আমান্ডাকে ৬-০, ৬-০ গেমে হারিয়েছেন পোলিশ তারকা। গ্র্যান্ড স্লামে এখন পর্যন্ত ১২০ ম্যাচ খেলে শততম জয় পেলেন উইম্বলডন ফাইনালে।
মাত্র ৫৭ মিনিটেই আমান্ডাকে উড়িয়ে দিলেন ২৪ বর্ষী সুয়াটেক। পাশাপাশি ৩৭ বছর আগের এক অনন্য কীর্তিতে নাম লেখালেন তিনি। টেনিসের উন্মুক্ত যুগে গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে জিতলেনে ৬-০, ৬-০ গেমে। প্রথমবার এই কীর্তি গড়েছিলেন জার্মান গ্রেট স্টেফি গ্রাফ। ১৯৮৮ সালের ফরাসি ওপেনের ফাইনালে ৩৪ মিনিটের লড়াইয়ে বেলারুশের নাতাশা জেভেরেভাকে একইভাবে হারান ২২ বারের গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী।
লড়াইটা যে একপেশে হবে তা বিশ্বাসই হচ্ছে না অষ্টম বাছাই হিসেবে আসর শুরু করা সুয়াটেকের। শিরোপা জয়ের পর বলেছেন, ‘খুবই অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। এমনকি আমি এর স্বপ্নও দেখিনি, আমার কাছে এটা বাস্তবতার থেকে অনেক দূরের কিছু। আগের গ্র্যান্ড স্লামগুলো জিতে আমার নিজেকে একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলেই মনে হতো, কিন্তু তারপরও এমন কিছুর প্রত্যাশা কখনও করিনি।’
বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের মাঝে বয়সে ২৩ বর্ষী আমান্ডাকে অভিনন্দন জানাতেও ভুলেননি সুয়াটেক। বলেছেন, ‘এই দুই সপ্তাহ সে যেভাবে খেলেছে, তা দারুণ। এর জন্য আমি অ্যামান্ডাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। তুমি যেভাবে কাজ করছো, তাতে তোমার গর্বিত হওয়া উচিত এবং আমি আশা করি, আমরা আরও অনেক ফাইনাল খেলব।’









