গঙ্গানদীপ সিং একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক। তিনি পদার্থবিদ্যা পড়ান। এই সপ্তাহের শুরুতে ক্লাস চলাকালে এক শিক্ষার্থীকে চড় মারেন তিনি। এরই জেরে পরদিন ওই শিক্ষার্থী টিফিন বক্সে করে একটি পিস্তল নিয়ে এসে ওই শিক্ষককে গুলি করে। বর্তমানে আহত ওই শিক্ষক একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ২১ আগস্ট ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার ২০ আগস্ট ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের উধম সিং জেলায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের একটি বেসরকারি স্কুলে পদার্থবিদ্যা পড়ান গঙ্গানদীপ সিং কোহলি। এই সপ্তাহের শুরুতে এক ছাত্রকে তিনি চড় মেরেছিলেন। বুধবার ওই ছাত্র তার টিফিন বক্সে একটি পিস্তল নিয়ে আসে এবং শিক্ষক কোহলিকে পিঠে গুলি করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি গুরু নানক স্কুলের। ওই ছাত্রের গুলি শিক্ষকের পিঠ থেকে ঘাড়ে লেগেছিল। তাকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। তার চিকিৎসার তত্ত্বাবধানকারী ডা. মায়াঙ্ক আগরওয়াল নিশ্চিত করে বলেন, গুলিটি সফলভাবে অপসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ওই শিক্ষকের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। আরও পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হবে বলে তিনি জানান।
পুলিশের মতে, সমরথ বাজওয়া নামে ওই ছাত্র লাঞ্চ বক্সের ভেতরে পিস্তলটি লুকিয়ে ক্লাসরুমে নিয়ে আসে। দুপুরের বিরতির পরে যখন ওই শিক্ষক ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন এ ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, ছেলেটি তার টিফিন বক্স থেকে অস্ত্রটি বের করে শিক্ষকের ওপর গুলি চালায়। এরপর ছাত্রটি পালানোর চেষ্টা করলেও অন্যান্য শিক্ষকরা তাকে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা।
নাবালক হওয়ায় পুলিশ ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ওই শিক্ষার্থী কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্রটি পেল সেটা তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। পিস্তলটিও জব্দ করা হয়েছে।









