চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    [vc_row][vc_column][vc_video link="https://www.youtube.com/live/GvSQMcp7GDo?si=AFUi4hYFRyndxJNP" css=""][/vc_column][/vc_row]
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সাম্প্রদায়িক হামলাসহ সকল সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
6:56 অপরাহ্ন 06, আগস্ট 2024
বাংলাদেশ
A A
Advertisements

সাম্প্রদায়িক হামলাসহ সকল সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ থেকে সহিংসতা বিরোধী মিছিল নিয়ে স্বাধীনতা ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি চরম নিপীড়নমূলক ও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে জুলাই মাসের প্রথম থেকে বাংলাদেশের আপামর শিক্ষার্থীবৃন্দ জন আন্দোলন শুরু করে। বৈষম্যের পরিবর্তে সাম্যের দাবি তোলায় তাদেরকে শিকার হতে হয় নির্মম হত্যাকাণ্ডের। সরকারি হিসাবে ৩০০ জনের বেশি এবং বেসরকারি হিসেবে এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী, শিশু থেকে বৃদ্ধ, পুরুষ ও নারী এবং সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলোর গুন্ডাদের হাতে নৃশংস ও নারকীয় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

মুক্তিকামী জনতাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে সংগঠনটির নেতৃৃবন্দ বলেন, ক্রমবর্ধমান নিপীড়ন-নির্যাতন-খুনের মুখে আর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ও অনুসারীদের হিংস্র গোয়ার্তূমি আর প্রতিশোধপরায়নতা আর অব্যহত হামলার প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থী আন্দোলন একটি গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়। পরিণামে শিক্ষার্থী-নাগরিকদের অবিস্মরণীয় বিদ্রোহের মুখে গতকাল জুলাই-হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা, ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। দীর্ঘ ও ভয়াবহ নিপীড়নমূলক স্বৈরশাসন থেকে এই মুক্তি অর্জনের জন্য তাই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক (ইউটিএন) বাংলাদেশের শিক্ষার্থীবৃন্দসহ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত সকল মুক্তিকামী জনতাকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।

তবে আমরা মনে করি, একটি নিপীড়নমূলক ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে এই মুক্তি অর্জন রাষ্ট্রকে মেরামত করে একটি গণতান্ত্রিক, বহুত্ববাদী, অসাম্প্রদায়িক, সাম্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকারী রাষ্ট্রে রূপান্তরের কঠিন পথ আমাদের সামনে। মুক্তি এখনও অর্জিত হয়নি। ১৯ জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সন্ধ্যা থেকে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার শর্তে (ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে মাঠে মোতায়েন করে। তারপরও পরিস্থিতির ক্রমাবনতি হতে থাকে এবং গত রবিবার (৪ অগাস্ট) সারাদেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক (অফিসিয়াল হিসাবে ১০২ জনের বেশি) মানুষ নিহত হয়। অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি এবং তিন দিনের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। যদিও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীবৃন্দ সরকারের এই ঘোষণা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে ৫ অগাস্ট ঢাকা মার্চ-এর ডাক দেয়। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী ও নাগরিকের সমাবেশ ও বিদ্রোহের মুখে গতকাল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং বিদেশে পালিয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের স্পীকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিদেশে পালানোর পর আমরা দেখতে পাই সেনাবাহিনী প্রধান জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হবে বলে জানান। এরপর আমরা দেখতে পাই যে, সেনাপ্রধান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি এবং বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের সাথে মিটিংয়েও বসেন। কিন্তু এই সংকটময় মুহূর্তে আমরা বিস্মিত হয়ে ঢাকা শহরসহ সারাদেশে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুপস্থিতি আর চেইন অব কমান্ডের পুরাপুরি অনুপস্থিতি লক্ষ্য করি। বিভিন্ন অঞ্চলে ও রাজধানীতে মোতায়েন সেনাসদস্যগণেরও নিক্রিয়তা লক্ষ্যণীয়ভাবে আমাদের নজরে পড়ে। বাস্তবে, সেনাপ্রধানকে টেলিভিশনে দেখাচ্ছিল অপ্রস্তুত; যেন এক জাহাজচালক যিনি তার নাবিকদের চেনেন না। কেন? এই কয়দিনের ঘটনাবলীর কোনো পাঠ তাদের ছিল না? কোনো পরিণতি তারা আগাম-আন্দাজ করতে পারেন নাই? এতগুলো গোয়েন্দাসংস্থা তাহলে খামোকা আছে? আর যদি কোনো রিডিং থেকে থাকে, তাহলে শেখ হাসিনার পরিণতির পর কীভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা হবে তার একটা আউটলেট তারা তৈরি করেননি কেন? পরিস্থিতিতে আমাদের এও মনে হয়েছে যে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনিকে সেনাবাহিন ডাম্প করেছে। ‘ওয়ার-ক্যাজুয়ালটির’র মতো তাদেরকে ক্রুদ্ধ জনতার সামনে অরক্ষিত রেখেছে। জানমালের হেফজতের যে ওয়াদা সেনাপ্রধান করেছেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি যে তাদের নেই তা খুবই স্পষ্ট। আমরা সেনাবাহিনীকে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ার আগেই পেশাগত কর্তব্য পালনের আহ্বান জানাই।

অথচ শাসন ও শাসক বদলের ক্রান্তিকালে ভয়াবহ নৈরাজ্য ও অরাজকতা সৃষ্ট হওয়ার আশংকা সবসময়ই থাকে। প্রশাসনিক অস্পষ্টতা, শূন্যতা এবং সিদ্ধান্তহীতার সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটতরাজ চালানো শুরু করে। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর, লুটপাট, থানা জ্বালিয়ে দেয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরের এবং বিখ্যাত ঐতিহ্য ময়মনসিংহের শশীলজসহ নির্বিচার ভাঙচুর, ভিন্ন মতাবলম্বীদের উপরে হামলা, তাদের সম্পত্তি লুটপাট ও পোড়ানো শুরু হয়। একইসঙ্গে সন্ধ্যা থেকে খবর আসতে থাকে যে কিছু স্থানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু ও তাদের বাসাবাড়িতে, ধর্মস্থানে উপর হামলা লুটপাট অব্যহত রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের দপ্তরে ও মিডিয়া কর্মীদের উপরে হামলা হয়েছে। এসব বহু হামলার খবর মিডিয়ায় পরিবেশিত হয় নাই এখনো। থানায় থানায় ক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপর হামলা করছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের উপর হামলা করছেন। নৃশংস সব মৃত্যুর খবর আমাদের কাছে নিয়মিত আসছে।

মধ্যরাত অব্দি আমরা জানি যে সারাদেশে পুলিশের অনুপস্থিতি বজায় ছিলো এবং সেনাবাহিনীর টহলও নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক এলাকায় সীমাবদ্ধ ছিলো। এছাড়াও, গতকাল দেশের বেশ কিছু স্থানে পুলিশ গুলি করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘোরতর আশংকা করছি আমরা। পুলিশের অনুপস্থিতিতে সেনাবাহিনী নাগরিকদের সুরক্ষায় এগিয়ে না এলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণঅভ্যুত্থান নস্যাৎ হয়ে যেতে পারে। সাময়িক বিজয় গণতান্ত্রিক রূপান্তরের চূড়ান্ত পর্যায়ে না গিয়ে একটি পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুবিধাবাদী, মতলববাজ, অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী শক্তির কাছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা আবার কুক্ষিগত হয়ে যেতে পারে।

আমরা চাই অতি দ্রুত একটি সুস্থ সভ্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা দেশে চালু হবে। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। যে কোন ধরনের সন্ত্রাস একযোগে রুখে দিতেও আমরা বদ্ধপরিকর। পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা হবে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম লক্ষ্য। তাই ছাত্র-জনতার এই অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানকে কেউ কালিমালিপ্ত করতে না পারে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। উল্লাস-উচ্ছ্বাস যাতে কোনরকম প্রতিহিংসার জন্ম না দেয় সেদিকে দায়িত্বশীল নাগরিকদের সজাগ থাকতে হবে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, আমরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশের আপামর জনগণের কাছে নিম্নোক্ত বিষয় বা ঘটনাবলী সম্পর্কে উদ্বেগ পেশ করছি-

১। বাংলাদেশ বর্তমানে কার শাসনে কোন বিধি অনুসারে চলছে? সেনাপ্রধানের, নাকি প্রেসিডেন্টের, নাকি স্পীকারের তত্ত্বাবধানে মন্ত্রীসভার অধীনে? ছাত্ররা অসহযোগের ডাক দিয়েছে। তাহলে তাদেরকে বাদ দিয়ে আইএসপিআর কোন ক্ষমতাবলে সকল কিছু খোলার ডাক দিল?

২। গণভবন, বিভিন পুলিশ থানা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা সুরক্ষায় পুলিশের উপস্থিতি নেই কেন? পুলিশের অবর্তমানে সেনাবাহিনী সুরক্ষা প্রদানে ব্যর্থ হলো কেনো?

৩। কোন আইনের বলে এবং কোন কোন মানদণ্ডের আলোকে রাজনৈতিক নেতাদের বঙ্গভবনে সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে দেখা করার জন্য মনোনীত বা নির্বাচিত করা হলো?

৪। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সুরক্ষা প্রদানে এবং চলমান সকল ধরনের সহিংসতা বন্ধে কোন ধরনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না কেনো? এমন পদক্ষেপ এখন কে নিবে- রাষ্ট্রপতি নাকি সেনাবাহিনী?

৫। সেনাবাহিনীর কাজ হলো গণঅভ্যুত্থানকে নিরাপত্তা প্রদান করা এবং গণ অভ্যুত্থানকারীদের এখনকার কাজ হলো বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা। এটা নিয়ে আলাপ না করে সেনাবাহিনী কর্তৃক বা সেনাবাহিনী সমর্থিত সরকার সংক্রান্ত আলাপ জনপরিসরে উঠছে কেনো? কারা এই ধরনের আলাপ তুলছে?

৬। সর্বোপরি, গণঅভ্যুত্থান সফল করা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে সমাজের বিভিন্ন শ্রমজীবী ও পেশাজীবী শ্রেণী, সিভিল প্রশাসন এবং মিলিটারি প্রশাসনের সমন্বিত আলাপ ও আলোচনা না শুরু না করে বঙ্গভবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ করার মাধ্যমে জনগণকে কি বার্তা দেয়া হচ্ছে?

পরিশেষে এই গণআন্দোলনের জন্য যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন সেসব শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। অতি দ্রুত দেশের জনগণের সুরক্ষা এবং সহিংসতা বন্ধের জন্যও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। এবং অবিলম্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে এর পরবর্তীতে একটি সংবিধান সভা গঠিত করে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে এর আলোকে একটি অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবী আমরা করছি।

ট্যাগ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কেরসহিংসতাসাম্প্রদায়িক হামলা
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

এখন পর্যন্ত যাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে

পরবর্তী

দেশের সব থানা ও ট্রাফিকের দায়িত্ব পেল আনসার

পরবর্তী

দেশের সব থানা ও ট্রাফিকের দায়িত্ব পেল আনসার

সাতক্ষীরা জেলা কারাগার থেকে আসামিদের বের করে নিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা

সর্বশেষ

ফুটবলে সিন্ডিকেট থাকলে অবশ্যই ভেঙে ফেলা হবে: আমিনুল

জানুয়ারি 27, 2026

আগামীর ক্রিকেট বোর্ডকে শক্তিশালী করতে চান আমিনুল হক

জানুয়ারি 27, 2026

সাফ ফুটসাল: মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন, খালি হাতে ফিরল ছেলেরা

জানুয়ারি 27, 2026

বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে মন্তব্য করতে চান না সাকলায়েন

জানুয়ারি 27, 2026

যাদের নিয়ে সাফ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

জানুয়ারি 27, 2026
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT

Exit mobile version