চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
ব্রাউজিং

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি ২০১৯

৬৬টি ভাষা পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট

সকল মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণা, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কাজ করছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানটি সমৃদ্ধ করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভাষা জাদুঘরে ঢুকতেই চোখে একটি গুহাচিত্র। মূল ছবিটি ১২ হাজার বছর আগে আঁকা হয়েছিলো স্পেনের আলতামিরায়। তিন হাজার বছর আগে মিশরে আঁকা হায়ারোগ্লিফিক বা চিত্রলিপির প্রতিরূপ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের দুই চিত্রমালা ব্রাক্ষ্মী ও খরোষ্ঠী লিপি আছে সেখানে। বাংলা বর্ণমালার বর্ণনা ও বিভিন্ন সময়ের নমুনাও আছে ভাষা জাদুঘরে। এভাবে ৬৬টি দেশের ভাষা সম্পর্কে পরিচয়…

ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে ভাষা আন্দোলন গবেষণা কেন্দ্র ও জাদুঘর

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণায় অবদান রাখছে রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১০ নম্বর সড়কে গড়ে ওঠা ভাষা আন্দোলন গবেষণা কেন্দ্র ও জাদুঘর। অমর একুশের শহীদ মিনার কিংবা মেডিকেল কলেজের ব্যারাক তৎকালীন অনেকের কাছে পরিচিত হলেও কোনোটাই দেখেনি বর্তমান প্রজন্ম। সে সময়ের অনেক মূল্যবান দলিলও হারিয়ে গেছে। ইতিহাসের সাক্ষী এসব জিনিস খুঁজে বেড়িয়েছেন কেউ কেউ। প্রয়াত ভাষা সংগ্রামী গোলাম মাহবুবের সেই চেষ্টার সফলতা হিসেবে রাজধানীর ধানমন্ডি ১০ নম্বর সড়কে ‘ভাষা আন্দোলন গবেষণাকেন্দ্র ও জাদুঘর’। ২০০৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি এর যাত্রা শুরু। প্রথম শহীদ…

প্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শহীদের নামে হলের নামকরণ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা শহীদদের নামে আবাসিক হলের নামকরণ করে। শ্রদ্ধার অনন্য নজির হয়ে আছে ওই উদ্যোগ। ছায়া সুনিবিড় প্রাকৃতিক এক পরিবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৮৫ সালের ২৭ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় ‘শহীদ সালাম-বরকত’ হল। ২০১০ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘শহীদ রফিক-জব্বার’ নামে আরো একটি হল চালু করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববদ্যালয়। ভাষা শহীদদের নামে হলে নিজের ঠিকানা পেয়ে অন্যরকম এক গৌরব অনুভব করে আবাসিক শিক্ষার্থীরা। একটু দেরিতে হলেও হল…

ঐতিহাসিক আমতলা সংরক্ষণ করার উদ্যোগ

ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক আমতলা প্রাঙ্গণ সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আর ডাকসু সংগ্রহশালায় থাকা ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন নিদর্শন আরো সমৃদ্ধ করতে নির্বাচিত নতুন ডাকসু উদ্যোগ নেবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। আম গাছটি নেই, জায়গাটিও বদলে গেছে অনেক। ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ঐতিহাসিক আমতলা থেকেই ১৪৪ ধারা অমান্য করে মিছিল শুরু করেছিলো ছাত্রসমাজ। আমতলা ফটকের সামনেই চলে ভাষা সংগ্রামীদের ওপর লাঠি চার্জ ও গুলি। শহীদ হন রফিক, শফিক জব্বারসহ আরো অনেকে। তাদের…

ভাষা আন্দোলন স্মরণে জাতীয় ও স্থানীয় উদ্যোগ-৩

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ভাষা আন্দোলন গ্যালারির পরিসর বাড়ছে। নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের গৌরবগাথা জানাতে গ্যালারিটি আরো সমৃদ্ধ করছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে পরিভ্রমণ শুরু হয় বাঙালির আবহমান ইতিহাসের কালানুক্রমিক উপস্থাপনায়। এ যাত্রায় জাদুঘরের তৃতীয় তলায় স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনার দীপ্তিমান অধ্যায় ৫২’র ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি গ্যালারি। সেখানে আছে শহীদ শফিউর রহমানের গুলিবিদ্ধ রক্তমাখা কোট, শার্ট ও জুতা। আছে ভাষা আন্দোলনের মিছিলের আলোকচিত্রসহ বিভিন্ন নিদর্শন, যেগুলো সাক্ষ্য দিচ্ছে ভাষা…

রাজধানীর বেশ কিছু সড়ক ভাষা সংগ্রামীদের নামে

রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে ভাষা সংগ্রামীদের নামে। তবে সড়কগুলোর দুই পাশে বাসা-বাড়ির নাম ও নম্বর ফলক কিংবা দোকানের সাইনবোর্ডে সেই নামকরণের ছোঁয়া নেই। রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে মিরপুর রোড ধরে এগিয়ে গেলে ধানমন্ডির ৭ নম্বর সড়কের মুখে সাদা মার্বেলের ফলক। লেখা ভাষা সৈনিক আবদুল মতিন সড়ক। পাশেই সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্তসহ আবদুল মতিনের ম্যুরাল। এভাবে মহান ভাষা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাজধানীর অনেক সড়কের মোড়ে শোভা পাচ্ছে কীর্তিমান ভাষা সংগ্রামীদের ছবি ও জীবনবৃত্তান্ত। অবিভক্ত ঢাকা সিটি…

বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সংরক্ষণে যা করতে হবে

মহান ভাষা আন্দোলনের স্মরণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ভাস্কর্য ও জাদুঘর। তবে, একুশে কেন্দ্রিক স্থাপনা কম বলে ভাষা আন্দোলনের গবেষকরা মনে করেন। ভাষা শহীদদের স্মরণে সারাদেশে শহীদ মিনার রয়েছে কয়েক হাজার। এর বাইরে আছে অনেক সংগ্রহশালা, জাদুঘর। এরকমই একটি রাজধানীর পলাশী মোড়ে নির্মিত শহীদ আবুল বরকত স্মৃতি সংগ্রহশালা ও লাইব্রেরি। বিভিন্ন সময় বাবাকে লেখা বরকতের চিঠিগুলো নিয়ে আবেগে মোড়ানো এক স্মৃতি স্থাপনা এ সংগ্রহশালা। ভাষা শহীদদের নিয়ে বাংলা একাডেমির দ্বিতীয় তলায় গড়ে উঠেছে ভাষা আন্দোলন জাদুঘর। একাডেমি চত্বরে…

ফেব্রুয়ারিকে ভাষার মাস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ভূমিকা রেখেছে গণমাধ্যম

শুরু থেকেই ফেব্রুয়ারিকে ভাষার মাস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলা গণমাধ্যম। ভাষার মাসকে কেন্দ্র করে একদিকে গণমাধ্যম যেমন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্রভাবিত হয়েছে, অন্যদিকে গণমাধ্যমও জোরালো করেছে রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন। গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বলছেন, গণমাধ্যমের সেই ভূমিকা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। শুধু একুশে ফেব্রুয়ারিতে নয়, পুরো মাস জুড়েই মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির বন্দনা। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বইমেলা, নানা আয়োজন বাংলাদেশ পেরিয়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে। পত্রিকা আর টেলিভিশনে বিশেষ প্রতিবেদন, টিভির…

ভাষার মাস পালন শুরু যেভাবে

শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে যে ভাষার মাস পালন, তার শুরুটা ৫২’র ভাষা আন্দোলনের পরের বছর থেকেই। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, যুগ যুগ ধরে ভাষার মাস পালন দেশের গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছে। ৫২’র ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে যারা জীবন উৎসর্গ করেন, সেই শহীদদের স্মরণে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা শহিদ মিনার তৈরির কাজ শুরু করেন। ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো পালিত হয় শহীদ দিবস। ওইদিন বেশিরভাগ অফিস, ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ভাই হারানোর…

হারিয়ে যাচ্ছে মুরং জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি

হারিয়ে যাচ্ছে মুরং জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি। পার্বত্য অঞ্চলের ১৩টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে একটি মুরং সম্প্রদায়। তাদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও বর্ণমালা। সংরক্ষণের উদ্যোগ না থাকায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি। বান্দরবান জেলার থানচি, আলীকদম ও রুমা উপজেলার পাহাড়ী এলাকায় মুরুং জনগোষ্ঠীর বসবাস। বর্তমানে এদের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে মুরং সম্প্রদায় শিক্ষায় অনেকটা পিছিয়ে। এদের অনেকেই এখনো ভাল করে বাংলা বলতে পারে না। তার উপর নিজেদের ভাষার কোন বই না থাকায় ভুলতে বসেছে মাতৃভাষাও। মুরং…