চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
ব্রাউজিং

মুক্তিযুদ্ধে কলকাতা

মুক্তিযুদ্ধে কলকাতা

পুরো কলকাতাই যেন মুক্তিযুদ্ধের এক অমূল্য ডায়েরি

একাত্তরে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হতো কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোড থেকে। বিজয়ের মাসে সেই বাড়িতে দাঁড়িয়ে বিজয়ের গল্প শোনালেন যুদ্ধদিনের তরুণ সংগঠক, আজকের বর্ষীয়াণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ। পুরো কলকাতাই যেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক অমূল্য ডায়েরি। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর সেই ডায়েরিটা আরও একবার মেলে ধরলেন বাংলাদেশের এমন এক মানুষ যিনি স্বাধীনতা আর মানচিত্রের জন্য জীবনবাজী রেখেছিলেন ১৯৭১ সালে। বিজয়ের মাসে কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোড বর্তমানে যার নাম শেক্সপিয়ার সরণী। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের প্রথম…

বালিগঞ্জ হয়ে উঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্থায়ী ঠিকানা

একাত্তর সালে একদিকে অস্ত্র হাতে যুদ্ধমাঠে বাংলাদেশ, অন্যদিকে ইথারে আরেক হাতিয়ার ছিলো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। কলকাতার বালিগঞ্জ সাকুর্লার রোডে ছিলো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্থায়ী ঠিকানা। মুক্তিযুদ্ধর পক্ষে কলকাতায় প্রথম জনসভা হয় ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ।  ২৫ মার্চের গণতহ্যার প্রতিবাদে ৩১ মার্চ ১৯৭১ প্রথম হরতাল করে কলকাতা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কলকাতার যে বন্ধন সেটিকে আরো বেশী শক্তিশালী করেছিলো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। ১৯৭১ সালে ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক…

বিজয়ের ৪৬ বছরে কলকাতায়ও উদযাপিত হবে ‘বিজয় উৎসব’

জমকালো আয়োজনে দেশের পাশাপাশি এবার কলকাতায়ও উদযাপিত হবে বাংলাদেশের ‘বিজয় উৎসব’। বিজয়ের ৪৬ বছরের আনন্দকে অটুট রাখতে মৈত্রীর বন্ধনে ১৫ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া বিজয় উৎসব মাতাবেন দুই দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা। কলকাতার উপ-দূতাবাস আয়োজিত ৫ দিনের এই উৎসবের মিডিয়া পার্টনার চ্যানেল আই। একাত্তরে এদেশের মুক্তিকামী মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিলো ভারতীয় সেনাবাহিনী। সে তো এখন ইতিহাসেরই অংশ। কিন্তু সে সময়টায় পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের সহযোগিতা আর শক্তি যোগানোর গল্প তা অনেকেরই অজানা। মুক্তিযুদ্ধের সেই গল্পগুলো দু-দেশের…

ভবানীপুরের ‘সানি ভিলা’ মুক্তিযুদ্ধের এক জ্বলজ্বলে ইতিহাস

মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত এবং পরিচালিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে। তারমধ্যে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের সানি ভিলার রয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক জ্বলজ্বলে ইতিহাস। ১১টি সেক্টরে ভাগ হয়ে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে তখন রুখে দাঁড়িয়েছে পূর্ব বাংলা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের স্বাধীনতার ডাক এক করেছে ৭ কোটি বাঙালিকে, চলছে মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জড়ানো সানি ভিলা নামের বাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধে কলকাতার ভূমিকার কথা স্মরণ করছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই বাড়িতেই থাকতেন তিনি। বাড়িটি ছিল…

যুদ্ধদিনে কলকাতার অবদান স্মরণে তোফায়েল

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতের যে শহর বুক আগলে দাঁড়িয়েছিলো তার নাম কলকাতা। বিজয়ের মাসে সেই কলকাতা শহরেই চ্যানেল আই এর বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজের কাছে যুদ্ধদিনে কলকাতার স্মৃতি মেলে ধরলেন সেদিনের তরুণ রাজনীতিবিদ, আজকের মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। নয় মাসের স্বাধীনতার লড়াইয়ে বর্বর পাকিস্তানীদের নৃশংসতা থেকে মুক্তি পেতে যুদ্ধজয়ের কৌশলটা পরিচালিত হতো যে শহরের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার নাম কলকাতা। বিজয়ের ৪৬ বছর পর সেই শহরের বুকে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধে কলকাতার অবদানের স্মৃতি স্মরণ করলেন তখনকার মুজিব বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডার, আজকের…

একাত্তরের সেই পার্ক সার্কাসের বাড়ি এখন বাংলাদেশি তথ্য কেন্দ্র

একাত্তরে কলকাতার যে ২৫টি বাড়ি থেকে মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হতো তার একটি ছিলো পার্ক সার্কাসের সোহরাওয়ার্দী এভিনিউয়ে। সেটি এখন বাংলাদেশ লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার। সেখান থেকেই সাংবাদিকরা পাকিস্তানী বর্বরতার খবর পৌঁছে দিতেন সারাবিশ্বের কাছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য তখন কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোড বর্তমানে শেক্সপিয়ার সরণিতে বসে জাতীয় নেতারা নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধকে। তাদের খবর বালিগঞ্জের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র আর ধর্মতলার আকাশবাণী হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সব জায়গায়।…

‘শেখ মুজিবের বাংলাদেশের প্রতি’ নির্মাণ করেছিলেন পংকজ সাহা

একাত্তরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সমান্তরাল মুক্তিযুদ্ধের খবর প্রচার করে গেছে আকাশবাণী কলকাতা। বাংলাদেশের জন্য সেখানে খোলা হয় গোপন সেল, সেই সেলের দায়িত্ব পায় সবচেয়ে কনিষ্ঠ একজন যার নাম পংকজ সাহা। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটিও আকাশবাণীর জন্য প্রথম রের্কড করেছিলেন তিনি। শুধু সংবাদ প্রচার নয় গান, কবিতা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা এমনকি সাংকেতিক ভাষায় কৌতুকের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সব খবর গণমানুষের কাছে পৌঁছে দিত আকাশবাণী কলকাতা। তখন সেখানে সবচেয়ে তরুণ কর্মী ছিলেন পংকজ সাহা। বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছেলে বলে যুদ্ধটা তার…

একাত্তরের গৌরবের সাক্ষী কলকাতার ধর্মতলার আকাশবাণী

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহাকাব্যের সঙ্গে যে শহরের পরিচয় ইতিহাসে বাঁধা তার নাম কলকাতা। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও একাত্তরের সেই দিনগুলোর এক একটা অধ্যায়ের গৌরবের সাক্ষী কলকাতার ধর্মতলায় স্ট্যান্ড রোডের আকাশবাণী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে সেই সময় বাংলাদেশের পক্ষে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে আকাশবাণী কলকাতা। সেসময়ের পূর্ব পাকিস্তানের বেতার ততোদিনে মুক্তিকামী বাঙালির দখলে। অবস্থা বেগতিক দেখে বেতার কেন্দ্রে পাকিস্তানী সরকারের কড়া নজরদারী। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে কলকাতা থেকে কার্যক্রম শুররু করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।…

মুক্তিযুদ্ধ: বহু প্রাণ বাঁচানো পশ্চিমবঙ্গের সেই চিকিৎসকরা

১৯৭১ সালে পাকিস্তানী বর্বরতার শিকার লাখ লাখ বাংলাদেশী শরণার্থীকে চিকিৎসা দিয়েছে কলকাতা মেডিকেল কলেজ। নির্মমতার খবর পেয়ে যশোরের উদ্দেশে রওনা হওয়া ৮ সদস্যের চিকিৎসক দলের একজন ছিলেন এখন কলকাতার প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট শিবাজী বসু। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা পশ্চিমবঙ্গের প্রায়  ৩০০ চিকিৎসকের তালিকাটি প্রকাশ করার অনুরোধ তার। পাকিস্তানীরা তখন তছনছ করে দিয়েছে পুরো দেশ। জ্বলছে পূর্ব বাংলা, জীবন বাঁচাতে সীমান্তের দিকে ছুটছে মানুষ। খবর পেয়ে কলকাতা মেডিকেলের ডক্টর সত্যেন বসুর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের চিকিৎসকদল যাত্রা করে যশোরের দিকে।…

দেশকে কীভাবে ভালোবাসতে হয় তা শিখিয়েছে বাংলাদেশ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলো কলকাতার গণমাধ্যম। স্টেটম্যান কাগজের সেদিনের তরুণ সাংবাদিক মানস ঘোষ কলমকে অস্ত্র করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। একাত্তরের ২৮ মার্চ তিনিই প্রথম বিদেশী সাংবাদিক হিসেবে বাংলাদেশের ভেতরে এসে পাকিস্তানী বর্বরতার চিত্র দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান। ১৯৭১ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশ হতো আনন্দবাজার, যুগান্তর, স্টেটম্যান, হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড, বসুমতি এবং অমৃতবাজার নামে ছয়টি খবরের কাগজ। তখনো সেখানে টেলিভিশন আসেনি, তবে ছিলো রেডিও আকাশবাণী কলকাতা। সেসময়ের ইংরেজি কাগজ…