মুন্সিগঞ্জে গুয়াগাছিয়া এলাকায় সদ্য উদ্বোধনকৃত ক্যাম্পে পুলিশের সাথে স্থানীয় পিয়াস ও নয়ন গ্রুপের মেঘনা নদীতে গোলাগুলির ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) জাহাঙ্গীর আলম এর কঠোর নির্দেশে গজারিয়ায় গুয়াগাছিয়া দুর্গম চরাঞ্চলে নৌ ডাকাতের আস্তানায় র্যাব, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান অব্যাহত আছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকাল থেকেই এই বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানা যায়।
রাত ৩টায় গজারিয়া থানায় ওসি আনোয়ার আলম আজাদ জানান, গভীর রাতেও ডাকাত দল গুলোর সন্দেহজনক বিভিন্ন আস্তানায় র্যাব, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান চলছে। ডাকাতদের দ্রুত আটক করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ড্রোনের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার বা কোন অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।
পুলিশের সঙ্গে ডাকাতদের গোলাগুলির ঘটনায় নৌ-ডাকাত নয়ন, পিয়াসসহ ২০ জনের নাম উল্লেখসহ ২৫ /৩০ জনকে আসামী করে মামলা করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যার আগ মুহুর্তে উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ এবং সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি হয়। উভয় পক্ষ থেকে প্রায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ ও ৪/৫টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে জানা যায়।মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে সদ্য চালু হওয়া পুলিশের অস্থায়ী ক্যাম্প লক্ষ্য করে গোলাগুলির ঘটনায় শতাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছে নৌ ডাকাত নয়ন-পিয়াস গ্রুপের সদস্যরা। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল গোলাগুলি হয়। পরে পুলিশের প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।









