সামরিক আইন জারির ঘটনায় দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সাউথ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। মঙ্গলবার রাতে সামরিক আইন জারি করেন তিনি। এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে এবং এর ফলে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসনের দাবি জোরালো হয়।
বিবিসি জানিয়েছে, আজ ৭ ডিসেম্বর শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া একটি টেলিভিশন ভাষণে ক্ষমা প্রার্থনা করে প্রেসিডেন্ট ইউন বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি হতাশার বশবর্তী হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু এটি জনগণের উদ্বেগ ও অসুবিধা সৃষ্টি করেছে। আমি গভীরভাবে দুঃখিত এবং আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইউন সুক ইওল আরও বলেন, এই ঘোষণার ফলে সৃষ্ট আইনি এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে না। সামরিক আইন পুনরায় জারি করা হবে না জানিয়ে তিনি জনগণকে বলেন, এটা সুনির্দিষ্টভাবে বলছি, সামরিক আইন আর কখনও ঘোষণা করা হবে না।
প্রেসিডেন্ট ইউন বলেন, দেশকে কীভাবে স্থিতিশীল করা যায়, সে সিদ্ধান্ত আমি আমার দলের ওপর ছেড়ে দেব, তবে আমি জানি, এর মধ্যে আমার মেয়াদও সংশ্লিষ্ট। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনার দায়িত্ব আমার দল এবং সরকার নেবে। আমি মাথা নত করছি এবং জনগণের উদ্বেগের জন্য আবারও ক্ষমাপ্রার্থী।
গত ৩ ডিসেম্বর, প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সাউথ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন, যা দেশটির পার্লামেন্ট পরে বাতিল করে। এর পর থেকেই বিরোধী দলগুলো তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রক্রিয়া শুরু করে। চলমান উত্তেজনার মধ্যে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।









